Tuesday, February 4, 2014

ফেইসবুকের সব নোটিফিকেশন এবার যাবে মোবাইলে একেবারেই বিনামূল্যে

Julianna | 10:41 PM | Be the first to comment!
সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেইসবুক কম্পিউটারে ব্যবহার করার পাশপাশি মোবাইলফোন থেকেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। তবে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হয়। আর ফেইসবুকের নোটিফিকেশনগুলো এতদিন কেবল ইমেইলেই পাওয়া যেত। অন্যান্য দেশের ব্যবহারকারীরা এসব নোটিফিকেশনগুলো ইমেইলের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেও পেয়েছেন এতদিন। এবার আমাদের দেশেও এসেছে এ সুযোগ।  ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও এখন স্ট্যাটাস আপডেট, কারোও ওয়ালে পোস্ট করা  এবং নোটিফিকেশন মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে দেখার সুবিধা রয়েছে। এজন্য  ফেইসবুকে কিছু সেটিংস পরিবতন করে নিতে হবে। এখন কম্পিউটার থেকে প্রথমে  ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করুন। এবার Account থেকে Account Settings এ যান।
2010-10-07_182847
এবার Account Settings  থেকে Mobile লেখা ট্যাব এ যেতে হবে। নিচের ছবি তে ফলো টা দিলাম
2010-10-07_183102
মোবাইল ট্যাবে গেলে নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে। যেখানে একাবারে নিচে লেখা রয়েছে -এ যেতে হবে `অলরেডি রিসিভড এ কনফারমেশন কোড?’ ছবিতে লাল দাগ দিয়ে দিলাম। এই লেখাটির উপর ক্লিক করুন।
2010-10-07_183355
এরপর যে মোবাইল নাম্বার থেকে ফেইসবুক স্ট্যাটাস আপডেট করতে চান এবং নোটিফিকেশন পেতে চান সেঁটির মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি এফ (f) লিখে গ্রামীনফোন ব্যবহারকারীরা ২৫৫৫ নাম্বার এবং বাংলালিংক ব্যবহারকারীরা ৩২৬৬৫ একটি এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এস.এম.এস এ ব্যবহারকারীকে একটি  Confirmation Code পাঠানো হবে। এবার কম্পিউটার থেকে মোবাইল ট্যাবের নিচে Already received a confirmation code? লেখা বাটনটিতে কিক করুন। যে Confirmation Code-টি এসএমএস এ এসেছে সেটি কনফার্মেশন বক্সে লিখতে হবে।
2010-10-07_183509
এবার Confirm এ কিক করুন। এখন কি কি নোটিফিকেশন মোবাইলে পেতে চান তার সেটিংগুলি ঠিক করে দিন। এরপর থেকে ফেসবুকের সব ধরণের নোটিফিকেশন এসএমএসের মাধ্যমে পাবেন। এরজন্য অতিরিক্ত কোন চার্জ দিতে হবেনা।
Read more ...

ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কম রাখার ৬টি টিপস

Julianna | 10:30 PM | 1 Comment so far
ব্লগের ডিজাইন একটি ব্লগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্লগের ডিজানই পাঠককে অনেকক্ষণ ব্লগে অবস্থান করতে বাধ্য করে। প্রত্যেক ব্লগারের উচিত নিজের সাইটের টেমপ্লেটকে হালকা ও কিছুটা চমকপ্রদ রাখা। অনেক সময় পাঠক মুগ্ধ না হয়ে সাইটের প্রথম পাতা থেকেই ফিরে চলে যায়,এটিকেই বাউন্স রেট বলে। বাউন্স রেট শতকরা হিসেবের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
bounce-rate
বাউন্স রেট বেশি হলে ব্লগের জন্য সেটি মারাত্নক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধের ব্লগ যদি পাঠকেরই পছন্দ না হয় তাহলে ব্লগ বানিয়ে লাভ কি? বাউন্স রেট বেশি হওয়ার সম্ভাব্য দু-তিনটি কারণ-
  • পাঠক যেই পোস্টের সন্ধানে বা যে সূত্র ধরে আপনার ব্লগে এসেছে সেরকম পোস্টের অনুপস্থিতি পাঠককে প্রথম পাতা থেকে চলে যেতে উৎসাহিত করে ;(।
  • সাইটের ডিজাইন পাঠককে আকৃষ্ট করার মত নয়।
  • সাইটের লোডিং সময় অনেক বেশি হওয়ার কারণে পাঠক ধৈর্যহারা হয়ে পড়ে।
  • ভুল তথ্য ও কপি-পেস্ট পোস্ট পাঠককে দারুণ ভাবে নিরুৎসাহিত করবে আপনার ব্লগ পড়ার জন্য।
এবার মূল আলোচনায় ফিরে আসি। ব্লগাররা স্বাভাবিক ভাবে চায় তার ব্লগের বাউন্স রেট কম থাকুক। আর তাই সেইসব ব্লগারদের জন্য আজকে বেশ কয়েকটি টিপস আপনাদের সামনে তুলে ধরব যা আপনার সাইটের বাউন্স রেট কম রাখতে বহুলাংশে সহায়তা করবে।
সাইটের কনটেন্ট
বাউন্স রেট কম রাখার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হচ্ছে উন্নতমানের কনটেন্ট। পাঠক যদি আপনার সাইটের লেখাগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে অথবা কনটেন্ট গুলো পাঠকের উপকারে আসলে পাঠক অবশ্যই আপনার সাইট ছেড়ে যেতে চাইবেন না। এজন্য প্রচুর ভালো ও উন্নতমানের পোস্ট লেখার অভ্যাস করতে হবে। আর সাইটের প্রতি যদি পাঠকের প্রথম ইম্প্রেশন খারাপ হয় তখন উচ্চ বাউন্স রেটের শিকার হবে আপনার সাইট। অর্থাৎ পাঠক প্রথম দেখাতেই নাখোশ হয়ে চলে গেল। মানসম্পন্ন ও উচ্চমানের পোস্ট লেখার কিছু টিপস এই পোস্টটিতে দিয়েছি।
ওয়েবসাইটের ডিজাইন
পূর্বেই আমি বলেছি সাইটের ডিজাইন বাউন্স রেটকে কম রাখতে অনেকটা প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। পাঠক প্রথমেই আপনার সাইটের ডিজাইনের দিকে চোখ দেয় পরে সাইটের বিষয়বস্তুর ওপর (সব ক্ষেত্রে নয়)। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ডিজাইন থেকে বিষয়বস্তুকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আবার সকল পাঠকের মন-মানসিকতা একরকম নয়। তাই আপনাকে অবশ্যই সাইটের ডিজাইনের দিকে দৃষ্টি দিতেই হবে। সাইটের টেম্পলেটটি যেধরণের হওয়া উচিত-
  • ফাস্ট লোডিং।
  • অপ্রয়োজনীয় উইজেট পরিহার।
  • অতিরিক্ত এড না থাকা।
  • সাইটে অবশ্যই একটি সার্চ বক্স রাখা।
এরকম টেম্পলেট পাঠককে সাইটে ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
পপ-আপ অ্যাডভার্টাইজমেন্টগুলোকে না বলুন
আমি অনেকগুলো ব্লগে লক্ষ্য করেছি তারা সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য পপ-আপের সাহায্য নেয়। পপ-আপ দিয়ে পাঠককে সাবস্ক্রাইবের জন্য আবেদন করে। তবে আমি বলব সাবসক্রাইবার বাড়ানোর আরো অনেক পন্থা আছে। এরকম পপ-আপ পাঠককে সাবস্ক্রাইবে উৎসাহিত না করে বরং অনুৎসাহিত করে। সাইটে প্রথম প্রবেশ করেই এরকম পপ-আপ বক্স বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি সকলকে পরামর্শ দিব প্রতিটি পোস্টের নিচে একটি সাবস্ক্রাইব বক্সের ব্যবস্থা রাখতে। এতে পাঠকের লেখা ভালো লাগলে পাঠক অবশ্যই আপনার সাইটের সাথে যুক্ত থাকতে চাইবে।
আর্কষনীয় হোমপেজ
পরিসংখানে দেখা গেছে ৯০ ভাগ ভিজিটর কোন ওয়েবসাইটের মূল লিঙ্ক ধরেই সাইটের হোমপেজে পৌছায়। মূল লিঙ্ক বলতে বুঝিয়েছি সাইটের মূল ডোমেইন নেম। তবে যারা সাইট সাব–ডোমেইন ব্যবহার করে তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সুতরাং হোম পেজে পাঠককে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ঠ পরিমান কনটেন্ট রাখতে হবে। অনেকে ম্যাগাজিন স্টাইল থিম ব্যবহার করে থাকে। এই ধরণের থিম ব্যবহার করার সুফল হল কম স্পেসে প্রচুর কনটেন্ট দেখান যায়।
সাইটম্যাপ বা আর্কাইভ পেজ তৈরী
সাইটম্যাপ আর্কাইভার একটি সাইটের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আর্কাইভার পেজে সাইটের সমস্ত পোস্টের লিস্ট রাখা হয়। সাধারণত বছর বা মাস ভিত্তিক আর্কাইভার দেখা যায়। আর্কাইভার পৃষ্ঠা রাখার মাধ্যমে পাঠক সহজেই আপনার সাইটের সকল পোস্ট ব্রাউজ করতে পারবে। আর্কাইভার পেজে বা সাইটম্যাপ তৈরীর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীরা নিচের প্লাগিনগুলোর যেকোনটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
পোস্টের ভেতর এডসেন্সের এড
অনেকেই ভালো আয়ের জন্য পোস্টের ভেতরেও এডসেন্স লিঙ্ক বসায়। এতে আপনার আয় ভালো হবে আবার আপনার জন্য একটু ক্ষতিও হতে পারে। কারণ দেখা গেল হোমপেজের এডসেন্স লিঙ্ক ধরে যদি পাঠক অন্য সাইটে নেভিগেট হয়ে যায় তাহলে ক্ষতি তো আপনারই হবে। তাই পোস্টের ভেতর এডসেন্স এড বসানোর ক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।
পাঠককে আপনার সাইটে ধরে রাখতে রিলেটেড পোস্ট প্লাগিন, জনপ্রিয় পোস্টগুলোর তালিকা প্রদর্শন,সাম্প্রতিক মন্তব্য ও পোস্টের ব্যবস্থা রাখা যাতে পারে। এতে পাঠক আপনার সাইটের অন্যান্য পোস্টগুলোর পড়তে উৎসাহিত হবে। এমনকি কোন পোস্টের মন্তব্যসমূহ পাঠককে সেই পোস্ট পড়তে আগ্রহী করে তোলে। ব্লগে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেও পাঠক ধরে রাখা যায়।
Read more ...

যেসব বৈশিষ্ট থাকলে একটি পোস্ট মানসম্মত বলে বিবেচিত হবে

Julianna | 10:29 PM | Be the first to comment!
একটি ব্লগের পোস্ট যত মানসম্মত হবে, ব্লগটি তখন পাঠক বলুন আর সার্চ ইজ্ঞিন বলুন উভয়ের কাছে প্রাধান্য পাবে। ব্লগার যে বিষয়ে পোস্ট লিখতে চান সে বিষয়ে তার পূর্ণ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অনেক সময় বিষয় সম্পর্কে অনভিজ্ঞ থাকার কারণে পোস্টের মূল বিষয়বস্তু বিকৃত থেকে যায়। এজন্য পোস্ট প্রকাশের পূর্বে পোস্টের বিষয় সম্পর্কে পড়াশোনা করে নিলে পোস্টটি আপনি আপনার মনের মত লিখতে ও সাজাতে পারবেন। এটি একজন মানসম্পন্ন লেখক হওয়ার পূর্বশর্ত।
blog_logo“মানসম্পন্ন পোস্ট” এর সংজ্ঞা এক জনের কাছে এক এক রকম মনে হতে পারে। তবে আমার ধারণা লেখক যদি মানসম্পন্ন পোস্ট লিখতে চান তার পোস্টে অবশ্যই নিচের বৈশিষ্ট্য গুলি থাকতে হবে।
বৈশিষ্ট্য ১: পোস্টটি অনন্য ও অদ্বিতীয় হতে হবে
পোস্টকে তখনই মানসম্মত বলা হবে যখন আপনার লেখা পোস্টটি অন্যান্য পোস্ট থেকে ইউনিক অর্থ্যাৎ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হবে। এমন একটি কমন পোস্ট লিখে কি লাভ যে বিষয়ে অন্যান্য দশটা ব্লগে ভরি ভরি আর্টিকেল আছে। তবে হ্যাঁ আপনার লেখাটি যদি অন্যান্যদের তুলনায় ভাল হয় তবে পাঠকদের কথা মাথায় রেখে একবার চিন্তা করুন পোস্টটি প্রকাশ করলে পাঠকরা কি সুবিধা পাবে। আপনার পোস্টটি রচনাশৈলীর দিক থেকে অনন্য কিন্তু অতি কমন পোস্ট যা সম্পর্কে পাঠকরা পূর্ব থেকেই অবগত। ফলে আপনার লেখা ভাল হলেও মানসম্মত পোস্টের মর্যাদা কিন্তু পেল না। এমন একটি পোস্ট পাঠককে উপহার দিন যার বিষয়বস্তু ভিন্নতর হবে এবং বিষয় সম্পর্কে আপনার পূর্ণ জ্ঞান থাকবে। আগেই বলেছি যদি আপনার বিষয়টি অন্যান্যদের থেকে একেবারে ভিন্ন কিন্তু আপনার সেই বিষয় সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান না থাকে তবে বিষয়বস্তু বিকৃত থেকে যাবে।
বৈশিষ্ট্য ২: পোস্টটির মূল বিষয় বস্তু মৌলিক হতে হবে
আমার কাছে মৌলিক পোস্টের সংজ্ঞাটা অনেকটা এরকম, আপনি যে বিষয়ে পোস্ট লিখবেন সেই পোস্টটিতে আপনি অবশ্যই আপনার নিজের কথাগুলোকেই প্রাধান্য দিবেন।
ইউনিক পোস্ট আর মৌলিক পোস্ট এ দুটি নিয়ে কখনও বিভ্রান্তিতে পড়বেন না। কারণ এ দুটি একেবারেই পরস্পর হতে ভিন্ন। ইউনিক পোস্ট হল যা অন্যান্যদের থেকে একেবারে ভিন্ন ভঙ্গিতে লেখা হয় আর মৌলিক পোস্ট হল যে পোস্টে নিজের কথাগুলোর অভিব্যক্তি ঘটে।

বৈশিষ্ট্য ৩: পোস্টে নিজের অভিজ্ঞতার ছাপ থাকতে হবে

ধরুণ, আমি একটি সার্চ ইজ্ঞিন অপ্টিমাইজেশন সম্পর্কিত পোস্ট লিখলাম “কিভাবে প্রতিদিন ১০০০+ ভিজিটর পাওয়া যায়” যেখানে আমি নিজেই ১০০+ ভিজিটর পাই না। এরকম পোস্টকে আপনি কিভাবে মানসম্মত বলবেন। নিজের বিবেককে প্রশ্ন করে দেখুন। আপনি যাই লিখবেন সেটা অবশ্যই নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে লিখুন।

বৈশিষ্ট্য ৪: পোস্ট অবশ্যই পাঠক সহায়ক হতে হবে

আপনি এমন একটি পোস্ট লিখলেন যা পাঠকদের কোন ভাবেই কোন কাজে লাগল না তাকে কোনমতে মানসম্মত পোস্ট বলা যাবে না। পোস্ট প্রকাশের পূর্বে আপনি অবশ্যই পাঠকের কথা চিন্তা করে পোস্ট প্রকাশ করবেন। এ কথাটি আমি আগেও বলেছি এবারও বলছি। তাই আপনার পোস্ট অবশ্যই পাঠক সহায়ক হতে হবে।
বৈশিষ্ট্য ৫: পোস্ট সার্চ ইজ্ঞিন বান্ধব হতে হবে
পোস্ট লেখার সময় লেখকের গুরুদায়িত্ব হল সার্চ ইজ্ঞিন সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখা এবং সেই অনুযায়ী পোস্ট প্রকাশ করা। সার্চ বট গুলো সবসময় মানসম্মত কন্টেন্টকে আগে ইনডেক্স করে। অতএব শুধু পাঠক নয় গুগলকেও খুশি করার জন্য আপনাকে মানসম্পন্ন লেখক হতে হবে।

বৈশিষ্ট্য ৬: পোস্ট স্ক্যানেবল হতে হবে

পোস্টটি এমনভাবে লিখতে হবে তা যেন অবশ্যই স্ক্যানেবল হয়। এখন আপনি চিন্তা করতে পারেন স্ক্যানেবল আবার কি? আসলে স্ক্যানেবল বলতে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে পাঠক পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ একবার হলেও চোখ বুলালে পোস্টটি সম্পর্কে একটি ধারনা পায়। পোস্ট স্ক্যানেবল করার জন্য পোস্টটিতে প্যারাগ্রাফ, হেডিং, সাব হেডিং, পয়েন্ট ইত্যাদি থাকতে পারে।
বৈশিষ্ট্য ৭: পোস্টে সমৃদ্ব উপকরণ থাকতে হবে
মানসম্পন্ন পোস্টের প্রধান অলংকরণ হল উন্নত উপকরণ। প্রয়োজনীয় স্ক্রিনশট, টাইটেল ট্যাগ, ফন্ট স্টাইলের সঠিক ব্যবহার যেমন-কোথায় আন্ডারলাইন দিতে হবে; কোথায় শব্দ বোল্ড করতে হয় ইত্যাদি বিষয় গুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ব্লগ পোস্টকে অত্যন্ত আর্কষনীয় ও মানসম্পন্ন পোস্টে পরিণত। তাছাড়া এগুলোর যথেচ্ছা ব্যবহারের ফলে পাঠকও বিরক্ত হন এবং পোস্টের সৌন্দর্য বিঘ্নিত হয়।
বৈশিষ্ট্য ৮: পোস্টটি সঠিক দৈর্ঘ্যর হতে হবে
একজন ব্লগার হিসেবে বলছি কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট করার সময় কখনও পোস্টের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ভাববেন না। অনেকের মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে পোস্ট যত বড় হবে পোস্টের মান তত বৃদ্বি পাবে। এটা কয়েকটি দিক থেকে বিবেচনা করলে ঠিক। তথ্যবহুল পোস্ট সাধারনত বড় হয়। তবে পোস্ট বড় হোক আর ছোট হোক মূল বিষয়বস্তু আপনি সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন কিনা সেটাই মূখ্য।
বৈশিষ্ট্য ৯: পোস্টের পরিচিতি সংক্ষিপ্ত রাখুন
পোস্টের শুরুতে পোস্টের পরিচয় সূচক যে বাক্যগুলো লেখা তা অবশ্যই ৫-৬ লাইনের মধ্যে লিখতে হবে।মনে রাখতে হবে, পোস্টই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি আপনার পাঠককে ইমপ্রেস করতে পারবেন। তাই পরিচিতি বাক্যগুলোতে অহেতুক বাক্য লিখলে পাঠক আগ্রহ হারাতে পারে। পরিচিতি প্যারাগ্রাফ আর্কষণীয় করে লিখতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজন হলে রিলেটেড কিছু লিঙ্ক দিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিচিতিকে সমৃদ্ব করুন।
বৈশিষ্ট্য ১০: পোস্টটি বানানগত ও ব্যাকরণগত দিক থেকে শুদ্ব হতে হবে
আপনার রচিত পোস্টে যদি বানান, ব্যাকরণ অথবা উচ্চারনগত ভুল থাকে তবে পোস্টের মান নিচে নেমে যাবে। বানানগত অথবা ব্যাকরনগত সমস্যা থাকতেই পারে। তাই পোস্ট প্রকাশের পূর্বে সম্পূর্ণ পোস্টটির একবার পড়ে নিন।
Read more ...

Monday, February 3, 2014

সফটওয়্যার ছাড়াই ডাউনলোড করুন ইউটিউব ভিডিও!

Julianna | 1:49 AM | 1 Comment so far
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ইউটিউব থেকে প্রায়ই ভিডিও ডাউনলোড করেন। আসলে প্রায়ই বললে ভুল হবে বলা উচিৎ প্রতিদিনই। কিন্তু ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউন-লোড করার সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সেখানে থেকে সরাসরি ডাউন-লোড করার কোন উপায় নাই। :( তাই অনেকেই আইডি-এম, ডিএপি সহ আর অন্যান্য ডাউন-লোড করার সফটওয়্যার ইউজ করেন। তারপরেও দেখা যায় অনেক সময়ই সেই সফটওয়্যার কাজ করে না। হয়তো মেয়াদ শেষ নয়ত অন্য কোন কারণে। তারপর আবার আসব থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার ইউজ করে ডাউন-লোড করলে আপনার ব্রাউজার স্লো কবে অনেক অংশে। ;) অনেক মজা তাই না? :D
আচ্ছা এবার আসি কাজে কথায়। আমি আজ আপনাদেরকে যে সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো সেখানে থেকে আপনি খুব সহজেই একটি ইউটিউব ভিডিওকে প্রায় ৫-৭টি ফরম্যাটে ডাউন-লোড করতে পারবেন। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? চলুন তাহলে…
১. আপনার ব্রাউজার ওপেন করে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিচে keepvid সাইটের এর হোম পেজ আসবে নিচের মত…
২. আবার নিচের চিত্রে দেখানো হোমে পেজের উপরের সেকশনে আপনার ইউটিউব ভিডিও’র লিঙ্ক দিয়ে পাশের Download বাটনে ক্লিক করুন…
৩. Download বাটনে ক্লিক করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার সামনে একটি সিকিউরিটি এলার্টবক্স আসবে সেটি একসেপ্ট করে Run ক্লিক করুন।
৪. এবার আপনার সামনে ভিডিওটির সব ফরম্যাট(ভিডিও ভেদে ফরম্যাট কম বেশি হবে) হাজির হবে নিচের মত। সেখানে থেকে নিজের ইচ্ছা মত ফরম্যাটে+ভিডিও রেজুলেশন ক্লিক করে ডাউন-লোড করুন! :D
এবার ইচ্ছামত ডাউন-লোড করে ইউটিউব ফাঁকা করুন! :P
পোস্টের এখানেই সমাপ্তি।
Read more ...

এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আবশ্যক ৫টি এপ্লিকেশন

Julianna | 1:45 AM | 1 Comment so far
এন্ড্রয়েড কিটক্যাট লোগো - এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশনএন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। বাজারে আসার পর থেকে আর এন্ড্রয়েডকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে এন্ড্রয়েড মার্কেটে ১০ লাখের বেশি এপ্লিকেশন রয়েছে। এর মধ্যে ২২ ভাগই নিম্নমানের আর তাই এপ্লিকেশন ইন্সটল করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

সাধারনত নতুন এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ফোন কেনার পর কোন কোন এপ ইন্সটল করবেন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। তার তাই খুবই গুরুত্বপূর্ন ৫টি এন্ড্রয়েড এপ নিয়েই থাকছে এই পোস্ট।

১- avast! Mobile Security & Antivirus

পিসির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় নিরাপত্তার সফটওয়্যার হচ্ছে avast. এন্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার চালানো এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেমন বিপজ্জনক, তেমনি স্মার্টফোনের নিরাপত্তার জন্যও এন্টিভাইরাস প্রয়োজন। আর এই কাজটি যথাযথভাবে করবে এভাস্ট মোবাইল সিকিউরিটি এন্ড এন্টিভাইরাস।

২- File Manager

এডভান্সড ব্যবহারকারীদের অনেক সময় ফাইল ম্যানেজার প্রয়োজন হয়। অসংখ্য ফাইল ম্যানেজার এপ্লিকেশনের ভিড়ে এই এপ্লিকেশনটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি সুবিধা প্রদান করে।

৩- Viber

ফ্রী ভিওআইপি এবং ম্যাসেজিং এর সুবিধা প্রদান করে ভাইবার। মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম সাপোর্টেড এই এপ্লিকেশনটি বাংলাদেশে যথেস্ট জনপ্রিয় এবং নিশ্চিতভাবেই আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব এটি ইতোমধ্যেই ব্যবহার করছেন।

৪- Smart Lockscreen Protector 

আর দশটি সাধারন লকস্ক্রীন এপস এর চাইতে বেশ কিছু বেশি সুবিধা প্রদান করে এই এপ্লিকেশনটি। যেমন, ফোন চুরি হয়ে গেলে চোর সাধারনত সাথে সাথেই ফোনটি বন্ধ করে ফেলে। তবে এই এপ্লিকেশনটি ইন্সটল করা থাকলে আপনার ফোন চুরি হয়ে গেলেও চোর চাইলেও সাথে সাথে ফোনটি বন্ধ করতে পারবে না। ফলে চোর কাছাকাছি থাকলে ফোনে কল দিয়ে তাকে ধরার একটি সুযোগ থাকে।

৫-  Trigger

ট্রিগার একটি টাস্ক অটোমেটর। একটি কাজ করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় আরেকটি কাজ বন্ধ করে দিতে সাহায্য করে এটি। যেমন ওয়াইফাই চালানোর সময় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা।
এগুলো ছাড়াও আরও বেশকিছু প্রয়োজনীয় এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে কোন এক সময় লেখার ইচ্ছা রয়েছে। আপনার জানামতে কোন প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন যেটি এখানে স্থান পায়নি তা মন্তব্যের মাধ্যমে জানাতে পারেন।
Read more ...

অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে চাইলে আগে নিজেকে যে ৩টি প্রশ্ন করতে হবে

Julianna | 1:43 AM | Be the first to comment!
অনলাইনে আয়“অনলাইনে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন” বেপারটা প্রথম প্রথম শুনা মাত্রই এক নতুন কৌতুহলের জন্ম দেয় সবার মনে এবং তারপর অনেকেই হুটহাট করে নেমে পড়েন অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে কোন চিন্তাভবনা না করেই  কিন্তু কিছু  সময় পরে বুঝতে পারেন কাজটা তাদের জন্য না এবং হতাশ হয়ে নেতিবাচক ধারনাও করে বসেন অনেকে।

যারা অনলাইনে আয়ের ব্যপারে আগ্রহী তাদের জন্যই আজকের এই পোস্ট।

১. আপনি কত সময় ব্যয় করতে পারবেন অনলাইনে কাজ করার জন্য?

এটাই সর্বপ্রথম মূখ্য প্রশ্ন যা অনেকেই মাথায় রাখে নাহ কাজ শুরুর আগে। প্রতিদিন আপনি কত ঘন্টা সময় ব্যয় করতে পারবেন অনলানে কাজ করার জন্য সেটা অবশ্যই হিসেব করে নিতে হবে অনলাইনে কাজ শুরু করার আগেই।
ধরা যাক আপনি একটি  ডিপার্টমন্টাল স্টোর ব্যবসা শুরু করবেন, তাহলে সমস্থ পরিকল্পনাটা একবার চিন্তা করে দেখুন যে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায় এবং ধৈর্য ধারণ করার মধ্য দিয়েই আপনাকে সেই ব্যবসার সফলতার আনতে হবে।
এমনিভাবে এখন আপনার অনলাইন কাজের পরিকল্পনাটা সাজিয়ে নিন। এখন চিন্তা করলে দেখবেন যে আপনি হয়ত ৬, ৮ অথবা ৮ ঘন্টা অনলাইনে কাজের জন্য ব্যয় করতে পারবেন। অনলাইন কাজ বলে ভাববেন নাহ যে কাজের পরিমান খুব কম এবং কম কাজ করেই আপনি অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। অনলাইন এর বাইরে একটা চাকুরি ক্ষেত্রে যেভাবে আপনি দায়িত্বশীল হয়ে প্রতিটা ঘন্টা কাজ করেন, অনলাইনেও আপনাকে ঠিক সেভাবে কাজ করতে হবে সফলতা অর্জন করতে চাইলে।

২. আপনার লক্ষ্য কি ?

আমার মনে পরে আমি যখন নতুন নতুন অর্থ উপার্জন এর সাথে পরিচিত হয়েছিলাম তখন আমাকে নির্দেশনা দেয়ার মত কেউ ছিল না। এছাড়াও অরেকটি বিষয় হচ্ছে আমার কোনো সুনির্দিস্ট লক্ষ্য ছিল না যার ফলশুতিতে আমি অনেকবার বিফল হয়েছি এবং পরে আমকে অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। আপনি যদি আপনার সফলতার চূড়ান্ত স্থানে পৌছাতে চান তাহলে আপনাকে কাজ শুরুর আগেই একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। তা না হলে  লক্ষ্যবিহীনভাবে কাজ করে আপনি কোনো ভালো কিছু অথবা ভালো স্থানে পৌছতে পারবেন না।
ধারা যাক বিভিন্ন দার্শনিক স্থানে আপনি ভ্রমন করতে পছন্দ করেন এবং এই বিষয়ের উপরেই অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চান । তাহলে লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রথমেই আপনাকে ভ্রমন স্থানগুলোর একটা তালিকা করতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভভ লক্ষ্যের ও একটা কাঠমো তৈরী করতে হবে লক্ষ্যের শেষে পৌছানোর জন্য।

৩. আপনি কি ধৈর্য্য ধরে না জানা বিষয় শিখতে ও পরিশ্রম করতে প্রস্তুত ?

আবার ও একটু নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে উদাহন দেই , আমি মনে মনে সপথ নিলাম যে আমি অনলাইনে   অর্থ  উপার্জন করবই, সেই ভাবনা থেকে একটি ব্লগ পোস্ট ও লিখে ফেললাম এবং তারপরই নিজের ই-মেইল চেক করলাম কিন্তু কোন রিপ্লাই পেলাম না। কারণ আমি   তখন আমি অনলাইনে অর্থ উপার্জনের পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। পরে বুঝলাম যে আমাকে আগে অর্থ উপার্জনের পদ্ধতিগুলো ভালোভাবে জানতে ও শিখতে হবে এবং তারপর ধৈর্য্য ধরে পরিশ্রম করে যেতে হবে ।
অবশেষে বলব , যারা অনলাইনে  অর্থ উপার্জন শুরু করার কথা ভাবছেন তারা নিজেদের এই ৩তি প্রশ্ন করে এবং তার উত্তর চিন্তাকরে ভালোভাবে  উপলব্ধি করে তবেই শুরু করুন । তা নাহ হলে কিছু সময় পার হবার পরই মনে হবে যে আপনি শুধু শুধু সময় নষ্ট করছেন এবং করেছেন যা আপনার বাস্তবিক জীবনে নতুন হতাশা তৈরী করবে । আজ এই প্রজন্তই সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
Read more ...

সেরা ১০টি ফ্রী এন্ড্রয়েড গেইমস

Julianna | 1:42 AM | Be the first to comment!
এন্ড্রয়েডের বেশিরভাগ গেইমস ফ্রী হলেও ভাল গেইমগুলো সাধারনত টাকা দিয়ে কিনতে হয়। শুরুর দিকে ভাল গেইমগুলো আইওএস এর জন্য রিজিল হলেও এন্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তাকে অবহেলা করতে পারেনি মোবাইল গেইম ডেভেলপাররা। বর্তমানে ফ্রীমিয়াম ব্যবসায়ীক কৌশলের কারনে বেশ কিছু ভাল গেইম রয়েছে এন্ড্রয়েড মার্কেটে যেগুলো ফ্রী।

প্লে-স্টোরে থাকা হাজার হাজার গেইমের মধ্য থেকে ভাল গেইম খুঁজে পাওয়া অনেক সময় কস্টসাধ্য হয়ে যায়। আর তাই সেই কস্টকে লাঘব করতে সেরা ১০টি এন্ড্রয়েড গেমস নিয়ে সাজানো হয়েছে এই পোস্টটি।
Angry Birds
এক সময়ের সাড়া জাগানো তুমুল জনপ্রিয় এই গেইমটি লিস্টে না থাকলেই নয়! যদিও বর্তমানে অনেকেই রাগান্নিত পাখির এই গেইমটি পছন্দ করেন না, তবে এখনো এই গেইমের লক্ষ লক্ষ ভক্ত রয়েছে বিশ্বজুড়ে। 
Asphalt 8: Airborne
অসাধারন এই রেসিং গেইমের আগের ভার্সনটি ফ্রী না থাকলেও এটি ফ্রী! যদিও গাড়ি আপগ্রেড সহ আরও কিছু ফিচার পেতে হলে পয়সা গুনতে হবে তবে কোন টাকা খরচ না করে দিব্যি মজা করে খেলা সম্ভব এই গেইমটি।
CSR Racing
ড্র্যাগ রেসিং যাদের পছন্দ তাদের জন্য CSR Racing অসাধারন একটি গেইম। শুরুতে আইওএস এ উন্মুক্ত হলেও, এর জনপ্রিয়তার প্রেক্ষিতে নির্মাতারা এন্ড্রয়েডের জন্যেও নিয়ে আসেন এই গেইম।
Cut The Rope
এটি একটি নেশা ধরানো পাজল গেইম। বিভিন্ন বাধা ডিঙ্গিয়ে সবুজ ঐ প্রানীটিকে খাওয়াতে হয় তার পছন্দের ক্যান্ডি। গেইমটিতে বর্তমানে ৩৭৫টি লেভেল রয়েছে এবং কিছুদিন পর পরই নতুন লেভেল যুক্ত হচ্ছে।
Dead Trigger 2
ফার্ট পারসন শুটার গেইম ভক্তদের মধ্যে সাড়া জাগানো একটি গেইম হচ্ছে Dead Trigger 2. ২০১৩ সালের সবচেয়ে জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড গেইমগুলোর মধ্যে এটি একটি এবং এখনো দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। 
FIFA 14
EA Sports এর ফিফা সিরিজের গেইমগুলো নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ফিফা ১৪ এন্ড্রয়েডের জন্য যথেস্ট ভাল মানের একটি ফ্রী গেম।
Fruit Ninja
এটি একটি ক্ল্যাসিক এন্ড্রয়েড গেইম। এ পর্যন্ত ১০০ মিলিয়নের বেশিবার ডাউনলোড হওয়া এই গেইমটি সম্পর্কে খারাপ কিছু বলার উপায় নেই। অবসর সময়ে খেলার জন্য এই গেইমটি মহাউপযোগী।
Jetpack Joyride
ফ্রুটনিঞ্জা গেইমের নির্মাতাদের তৈরি আরেকটি নেশা ধরানো গেম হচ্ছে Jetpack Joyride. অত্যন্ত জনপ্রিয় এই গেইমটি নিয়মিত আপডেট করা হয় এবং নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয় গেমারদের সুবিধার্তে।
The Simpsons 
সিম্পসন্স টিভি সিরিয়ালের ভক্তদের জন্য এবার এলো সিম্পসন্স গেইম। গেইমটিতে সিম্পসনের নির্মাতাদের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে অল্পদিনেই বেশ ভাল জনপ্রিয়তা কুড়িয়ে নিয়েছে এই গেমটি।
Temple Run 2 
টেম্পল রান গেইমটি ছাড়া এই লিস্টটি সম্পূর্ন হোত না। এই গেইমটি হয়তো আপনারা সবাই কমবেশি খেলেছেন এবং এখনো এটি যথেস্ট জনপ্রিয় একটি গেইম।
Read more ...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Powered by Blogger.