Wednesday, June 18, 2014

বর্তমান সময়ের সেরা ১০ টি স্মার্টফোনের তালিকা ও সংক্ষিপ্ত স্পেসিফিকেশন

Julianna | 12:43 AM | Be the first to comment!
কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নেয়া যাক:

১। HTC One M8


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ৪ মেগাপিক্সেল ডুয়েল টোন+এলইডি, ফ্রন্ট ৫ মেগাপিক্সেল এইচডি
ডিসপ্লে ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি ২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

 

২। LG G2


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.২৬ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ১৩ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২.১ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.২ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.২.২ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

 

৩। Samsung Galaxy S5


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.৫ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ১৬ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.১ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি ২৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

 

৪। Sony Xperia Z2


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ চিপসেট
র‍্যাম ৩ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ২০.৭ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৫.২ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ গিগাবাইট
ব্যাটারি ৩২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৪.২ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

 

৫। Google Nexus 5


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ৮ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.৩ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল, ৪.৯৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ এবং ৩২ গিগাবাইট
ব্যাটারি ২৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৪ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

 

৬। iPhone 5s


প্রসেসর ডুয়েলকোর ১.৩ গিগাহার্জ সাইক্লোন, অ্যাপল A7 চিপসেট
র‍্যাম ১ গিগাবাইট DDR3
ক্যামেরা রিয়ার ৮ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ৬৪০ x ১১৪০ পিক্সেল, ৪ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬, ৩২ ও ৬৪ গিগাবাইট
ব্যাটারি ১৫৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম অ্যাপল আইওএস ৭.*

 

৭। Sony Xperia Z1 Compact


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.২ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ২০.৭ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ৭২০x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৩ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬ গিগাবাইট
ব্যাটারি ২৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

 

৮। Samsung Galaxy Note 3


প্রসেসর কোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ চিপসেট
র‍্যাম ৩ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ১৩ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ১০৮০ x ১৯২০ পিক্সেল, ৫.৭ ইঞ্চি
স্টোরেজ ১৬, ৩২ ও ৬৪ গিগাবাইট
ব্যাটারি ৩২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন

 

৯। Motorola Moto G


প্রসেসর কোয়াডকোর ১.২ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ চিপসেট
র‍্যাম ১ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ৫ মেগাপিক্সেল, ১.৩ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ৭২০x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ ৮ এবং ১৬ গিগাবাইট (ফিক্সড)
ব্যাটারি ২০৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম ৪.৪.৩ অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট

 

১০। Nokia Lumia 1020


প্রসেসর ডুয়েলকোর ১.৫ গিগাহার্জ, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট
র‍্যাম ২ গিগাবাইট
ক্যামেরা রিয়ার ৪১ মেগাপিক্সেল, ফ্রন্ট ১.২ মেগাপিক্সেল
ডিসপ্লে ৭৬৮x১২৮০ পিক্সেল, ৪.৫ ইঞ্চি
স্টোরেজ ৩২ এবং ৬৪ গিগাবাইট (ফিক্সড)
ব্যাটারি ২০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার
অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ফোন ৮
Read more ...

Friday, March 14, 2014

মাইক্রোসফট এক্সপি'র জন্য সাপোর্ট বন্ধ করে দিচ্ছেঃ এখন কী করনীয়?

Julianna | 10:23 PM | Be the first to comment!
জায়ান্ট সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এবছরের আসছে ৮ই এপ্রিল থেকে তাদের এক সময়কার জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম ‘উইন্ডোজ এক্সপি’র জন্য আর কোন সাপোর্ট প্রদান করবেনা এবং এই বিষয়টি আশা করি আমরা যারা প্রযুক্তি নিয়ে কিছুটা হলেও ঘাটাঘাটি করি তারা কম বেশি সবাই জানি। সব টেক পোর্টালের মত প্রিয় টেকেও এটি খবর আকারে প্রকাশ পেয়েছিল, আপনারা যারা প্রিয় টেকের নিয়মিত পাঠক তারা পড়ে থাকবেন হয়ত। যাই হোক, আমি আজ এই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব, এবং এই লেখাটি মূলত এখনও যারা উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করছেন তাদের জন্যেই।
মাইক্রোসফট কোম্পানি এই খবরটি অনেক আগে থেকেই প্রকাশ করে আসছে কেননা তারা তাদের সকল এক্সপি ব্যবহারকারীদের কাছে এই তথ্যটি পৌছে দিতে চায় যে ৮ই এপ্রিলের পর থেকে আপনি আপনার নিজ দায়িত্বে উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করবেন কেননা, কোন প্রকার সিকিউরিটি আপডেট এরপর থেকে মাইক্রোসফট প্রদান করবেনা।
১
এছাড়াও, ৮ই মার্চ থেকে প্রতি মাসে একবার করে উইন্ডোজ একপি ব্যবহারকারীরা একটি করে ‘END OF SUPPORT’ – এরকমের একটি পপ-আপ বার্তা পাবেন। এই পপ-আব বার্তাটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন প্রতিটি উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারী এই খবরটি জানতে পারেন।

এই ‘END OF SUPPORT’ এর মানেটা কি??

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নানারকম সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। যখনই কোন প্রকার নতুন ক্ষতিকর বাগ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানটি সেই বাগটির জন্য উইন্ডোজ আপডেটের মাধ্যমে নানা রকম প্যাচ প্রদান করে সহায়তা করেছে। এবং, এর মাধ্যমেই কম্পিউটারের নিরাপত্তা অনেকটুকু শক্ত হয়ে থাকে।
এই সাপোর্ট এর তারিখ শেষ হয়ে যাবার পর মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠান থেকে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য সিকিউরিটি সংক্রান্ত কোন প্যাচ বা অন্য যে কোন প্রকার সহায়তা প্রদান করা হবেনা। এর ফলে একজন হ্যাকার যখন উইন্ডোজ এক্সপির জন্য মাইক্রোসফটের দেয়া শেষ নিরাপওা ব্যবস্থায় একটি ত্রুটি খুঁজে পাবে তখন থেকে সেই কম্পিউটারটি ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত তারা এই ত্রুটির সাহায্যে আপনার ক্ষতি করতে সক্ষম হবে। সময়ের সাথে, উইন্ডোজের এই এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমটি অনেক বেশি ইনসিকুয়ার (অনিরাপদ) হয়ে যাবে কেননা আস্তে আস্তে নতুন নতুন ত্রুটি বের হতে থাকবে এবং যেহেতু এই ত্রুটি গুলোর জন্য মাইক্রোসফট থেকে আর কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদান করা হবেনা। এই অবস্থায় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কিছুটা সাহায্যে করবে ঠিকই কিন্তু মনে রাখবেন, কোন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারই নিখুঁত নয়। তাই কম্পিউটারের সর্বোচ্চ সুরক্ষার জন্য নিরাপত্তার একটি মাত্র দিক ব্যবহার না করে কয়েকটি লেয়ার (স্তর) ব্যবহার করা উচিৎ হবে।
এছাড়াও, সময়ের সাথে সাথে, অন্যান্য সফটওয়্যার নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান এবং ডেভেলপাররা উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের সাথে উপযুক্ত – এমন সফটওয়্যার তৈরী করা বন্ধ করবে। যেমনটি ধরুন, উইন্ডোজের অনেক আধুনিক সফটওয়্যার যেমন আপনি উইন্ডোজ ৯৮-এ ব্যবহার করতে পারেন না তেমনি ভাবে একটি সময় এরকম অনেক সফটওয়্যার বাজারে পাওয়া যাবে যা আপনি উইন্ডোজ এক্সপিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

তাহলে এখন আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবেন??

‘END OF SUPPORT’ এর আরেকটি অর্থ হচ্ছে যে এখনই সময় আপ-টু-ডেট হবার! আপনার যদি উইন্ডোজ ৮ এর নতুন লুকটি ভালো লেগে না থাকে তবে আপনাকে মাইক্রোসফটের সর্বশেষ সংস্করণ (এখন পর্যন্ত) ‘Touch-first’ ভার্শন ব্যবহার করার কোন প্রয়োজনই নেই। * আপনি উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমটি কিনে ব্যবহার করতে পারেন। উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমটিকেও সফল একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ধরা হয়ে থাকে কেননা উইন্ডোজ ভিসতায় মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানটি সফলতা না পেলেও পরবর্তী সময়ে উইন্ডোজ ৭ দিয়েই বাজার মাতিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ** উইন্ডোজ ৭ এর ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১৪ই জানুয়ারি পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেট এবং সকল সাপোর্ট প্রদান করে যাবে এবং উইন্ডোজ ৮ এর ক্ষেত্রে এই সাপোর্ট ব্যবহারকারীরা পাবে ১০ই জানুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত।
এটা ঠিক যে উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেমগুলো অনেক দামী এবং বলা চলে এই দামে পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর বা ডুয়াল কোর প্রসেসরের একটি কম্পিউটারই কিনে ফেলা যায়। তাই, আপনাকে যে কিনে উইন্ডোজই ব্যবহার করতে হবে তা নয়, আপনি চাইলে উবুন্টু বা এর আরও লাইট ভার্শন লুবুন্টু ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
২
* আমি মাইক্রোসফট এর অপারেটিং সিস্টেম কিনে ব্যবহার করার কথা বলেছি কেননা আমরা কোন ভাবেই পাইরেসি সমর্থন করিনা। যদিও, দামটা অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায় তবুও অনেকেই কিন্তু ইদানিং অপারেটিং সিস্টেম কিনেই ব্যবহার করছেন।
** তথ্যগুলো মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ লাইফ সাইকেল ফ্যাক্ট শীট থেকে নেয়া হয়েছে।

কিন্তু আমার যে উইন্ডোজ এক্সপিই দরকার ... এখন?

অনেকেই আছেন যারা পুরাতন কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করেন ব্যবসার জন্য যা নতুন অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত নয় আবার অনেকের কম্পিউটারের কনফিগারেশনের জন্য সমস্যা হতে পারে। কি আর করা, যেহেতু এই ক্ষেত্রে আপনার উইন্ডোজ এক্সপিই ব্যবহার করতে হবে সেহেতু আমি কিছু ট্রিকস আপনাকে শিখিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি, আশা করি আপনার এতে করে আপনার কম্পিউটারটি সর্বোচ্চ নিরাপদ রাখা সম্ভব হবেঃ
নেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করুনঃ এমন যদি হয়ে থাকে যে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করার সময় নেট সংযোগ ব্যবহার করার দরকার পরেনা তবে আপনি ইন্টারনেট সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে রাখুন এবং পারলে অফলাইনেই এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করুন। কিছুটা হাস্যকর মনে হতে পারে এই কথাটি কিন্তু, আপনার কম্পিউটার নিরাপদ থাকবে এই প্রসেসেই!
ভার্চুয়াল মেশিনঃ আপনি উইন্ডোজের আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম গুলো থেকে ভার্চুয়াল মেশিনের মাধ্যমে উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করতে পারেন। উইন্ডোজ ৭ এর প্রোফেশনাল ভার্শনে ‘Windows XP Mode’ নামের একটি সুবিধা রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি একটি উইন্ডোজ এক্সপি ভার্চুয়াল মেশিন তৈরী করতে পারবেন এবং এই এক্সপি’র জন্য আপনাকে কোন প্রকার লাইসেন্স কী-ও কিনতে হবেনা। যদিও মাইক্রোসফট এই উইন্ডোজ এক্সপি মোড এবং ভার্চুয়াল মেশিনের জন্যেও সব সাপোর্ট ৮ এপ্রিলের পর থেকে বন্ধ করে দেবে তবুও মূল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে এক্সপি ব্যবহার না করে ভার্চুয়াল মেশিনে ব্যাবহার করাটাই অধিক নিরাপদ হবে।

মোজিলা ফায়ারফক্স অথবা গুগল ক্রোমঃ
এই দুটি ব্রাউজারই সিকিউরিটি ফিক্সের সাথে সাথে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য সাপোর্টেড থাকবে অন্তত পক্ষে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। তবে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮ সিকিউরিটি ফিক্স সহ সাপোর্ট করবেনা আর। তাই, কোন একটি স্পেসিফিক (নির্দিষ্ট) সাইটের জন্য আপনার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করার দরকার পরেই তবে শুধুমাত্র সেই সাইটের জন্যেই এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করুন। অন্যথায়, নিরাপদ দুটি ব্রাউজারের নামতো প্রথমেই বলে দিলাম।
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারঃ একটি অ্যান্টিভাইরাস যদিও আপনাকে পুরোপুরি সুবিধা প্রদানে সক্ষম হবেনা তবে অবশ্যই একটি অনিরাপদ অপারেটিং সিস্টেমে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করাটা যুক্তিসম্পন্ন এবং আবশ্যক। তবে এক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবেন যে আপনার অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামটি নিয়মিত আপডেটেড হচ্ছে কি না।
এগুলো আপনার কাছে অনেক সাধারণ কিছু টিপস মনে হতে পারে তবে খেয়াল করে দেখুন সাধারণ হলেও এগুলো যদি আপনি পালন করেন তবে সহজেই কিছুটা হলেও নিরাপদ আপনি থাকতে পারবেন।
Read more ...

Saturday, March 1, 2014

৩২ বিট এবং ৬৪ বিট কি?

Julianna | 9:15 PM | Be the first to comment!
প্রযুক্তির এই সময়ে এখন কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক। আগের মত এখন আর কম্পিউটারের দেখা শুধু বিজ্ঞানাগার, অফিস আদালত অথবা বাসাতেই দেখা যায়না বরং এখন কিছু কিছু মুদি দোকানেও অনেক সময় কম্পিউটার দেখে অবাক হয়ে যেতে হয়। তবে অবাক হবার মূলত কিছুই নেই, একজন মুদি দোকানদার কেন প্রযুক্তির আলো থেকে বঞ্চিত হতে যাবেন! যাই হোক, কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম না হলেও কম্পিউটার সংক্রান্ত এমন অনেক বিষয়ই আছে যেগুলো সাধারণ ব্যবহারকারীদের অজানা। এরকম বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ’৩২ বিট এবং ৬৪ বিটের প্রসেসর’। অনেকেই আছে এই বিষয়টি বোঝেন না। তাই আজকে আমি ৩২ এবং ৬৪ বিটের পার্থক্য নিয়ে আলচোনা করে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করব।
আপনারা হয়ত খেয়াল করেছেন যে এখনকার সময়ে ইন্টারনেট থেকে কোন একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করার সময় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঐ একই সফটওয়্যারটি দুটি বিট ভার্শন আকারে পাওয়া যায়। কেননা, ৩২ বিট এবং ৬৪ বিটের প্রসেসর এবং এই কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমও বিট ভিত্তিক হয়ে থাকে। যদিও, বেশির ভাগ ৩২ বিটের সফটওয়্যার ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে থাকে তবে ৬৪ বিটের সফটওয়্যার ৩২ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করেনা আর কিছু ক্ষেত্রে কাজ করলেও তাতে অনেক প্রকার সমস্যা দেখা যায়। যাই হোক, চলুন জেনে নেই ৩২ বিট এবং ৬৪ বিটের পার্থক্যগুলো।

পার্থক্যঃ

• আমাদের কম্পিউটারের মাঝে Kernel Patch Protection থাকে যা উইন্ডোজের নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত। কম্পিউটারের প্রসেসর, হার্ডওয়্যার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়্যারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি হচ্ছে kernel এবং এই kernel – এর উপর ভিত্তি করেই কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করা হয়ে থাকে। ৩২ বিটের চাইতে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের এই kernel patch protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে।
• আমরা আমাদের কম্পিউটারে অনেক রকম হার্ডওয়্যারের জন্য বিভিন্ন ড্রাইভার ব্যবহার করে থাকি। এই ড্রাইভারগুলো নির্মান করার সময় নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একটি ডিজিটাল সাইন এর মাঝে দিয়ে দেয়। ভাইরাস দ্বারা কম্পিউটার আক্রান্ত হয়ে গেলে সেই ডিজিটাল সাইন গুলো কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন হয়ে যায় যার কারনে উইন্ডোজ সমস্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেমে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায়না। ৩২ বিটের জন্যেও এরকম সেটিং করে রাখা যায় তবে এই সেটিংটি ডিফল্ট ভাবে দেয়া থাকেনা।
• ৬৪ বিট সমর্থিত প্রসেসরে ৩২ অথবা ৬৪ বিট – দু’ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা গেলেও ৩২ বিট সমর্থিত প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যায়।
• ৩২ বিটের জন্য সাধারণত ৫১২ মেগাবাইট থেকে ৪ গিগাবাইট পর্যন্ত র‍্যাম রিকোমেন্ড করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য ৪ গিগাবাইট ব্যবহার করার জন্য বলা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল ৪ গিগাবাইটের উপর র‍্যাম ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে ৪ গিগাবাইটের উপর র‍্যামম ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ ৩ গিগাবাইট পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো র‍্যাম অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে ১ গিগাবাইট থেকে ১২৮ গিগাবাইট এর চেয়ে বেশি র‍্যাম সাপোর্ট করে।
• যে সব কাজের জন্য বেশি র‍্যাম প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
• আমি উপরেই লিখেছি যে - বেশির ভাগ ৩২ বিটের সফটওয়্যার ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে থাকে তবে ৬৪ বিটের সফটওয়্যার ৩২ বিটের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করেনা আর কিছু ক্ষেত্রে কাজ করলেও তাতে অনেক প্রকার সমস্যা দেখা যায়। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
উপরের পার্থক্য গুলো থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে ৩২ বিটের তুলনায় ৬৪ বিট অনেক ক্ষেত্রেই ভালো।

যেভাবে বুঝবেন আপনার কম্পিউটারটি ৬৪ বিট না ৩২ বিটঃ

আগেই বলা হয়েছে যে আপনি যদি ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চান তবে আপনার প্রসেসরকে অবশ্যই ৬৪ বিট সমর্থন করতে হবে। আপনি যদি এখনো না জেনে থাকেন যে আপনার প্রসেসরটি ৬৪ বিট সমর্থিত কি না এর জন্য আপনি Start Menu > My Computer > Properties – এ গেলেই দেখতে পারবেন। অথবা, CPU-Z নামের সফটওয়্যারটির মাধ্যমেও আপনি দেখে নিতে পারেন।
আশা করি, যারা ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট সম্পর্কে জানতেন না তারা এ বিষয়টি কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন।
Read more ...

Monday, February 24, 2014

ফায়ারফক্স ল্যাগি মনে হচ্ছে? ফাস্ট করবেন যেভাবে ...

Julianna | 3:30 AM | Be the first to comment!
আপনার কি কখনো এরকম মনে হয়েছে যে সাধারণ ভাবে দ্রুত কাজ করা আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারটি ক্রমশই ল্যাগি হয়ে যাচ্ছে? এরকমটা হয়ে থাকে। অপ্রয়োজনীয় প্লাগিন সমূহ, এক্সটেনসন সমূহ এমনকি ব্রাউজারের ডাটাও ব্রাউজারকে ল্যাগি করে ফেলতে পারে। আজকের টিউটোরিয়ালটিতে আমি চেষ্টা করব যদি আপনার ব্রাউজার ল্যাগি হয়ে থাকে তবে তা আগের মতই দ্রুত কার্যক্ষম করে দিতে, অন্তত চেষ্টা করতে।
আমি দেখাতে চেষ্টা করব যে কীভাবে প্লাগিন, এক্সটেনশন সমূহ এবং ব্রাউজারের ডাটা ক্লিন করে মজিলা ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে দেয়া যায়। চলুন, শুরু করা যাক।
প্লাগিন ডিস্যাবল করেঃ
ব্রাউজারের জন্য মূলত প্লাগিন উপকারীই হয়ে থাকে। প্লাগিনসমূহ ফায়ারফক্সের বিভিন্ন রকম ইন্টারনেট কম্পোনেন্ট যেমন, ফ্ল্যাশ, সিলভার লাইট, জাভা এবং অফিস – ইত্যাদি প্লাগিন সমূহ ম্যানেজ করতে সাহায্যে করে। কিন্তু, আপনি লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন যে হয়ত এমন কিছু প্লাগিন আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল করা আছে যেগুলো আপনার কোন প্রয়োজনেই আসেনা। আপনার উচিৎ সেই প্লাগিনগুলোকে ডিসঅ্যাবল করে দেয়া, কেননা – এই প্লাগিন গুলো আপনার ব্রাউজারকে ল্যাগি করে ফেলতে পারে।
নোটঃ প্লাগিন আসলে ব্রাউজার ত্থেকে মুছে দেয়া যায়না অথবা আন-ইন্সটলও করা যায়না, শুধু মাত্র ডিস্যাবল করা যায়। তবে, একটি প্লাগিন যদি এক্সটেনশনের একটি পার্ট হিসেবে আলাদা ভাবে ইন্সটল করা হয় সেক্ষেত্রে সেটা ব্যাতিক্রমধর্মী এবং সেগুলোকে আন-ইন্সটল করা যায়। তখন, প্লাগিনটি অটোম্যাটিক ভাবে মুছে যাবে।
ফায়ারফক্স থেকে একটি প্লাগিন ডিস্যাবল করার জন্য ‘Firefox’ বাটনে ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে ‘Add-ons’ সিলেক্ট করতে হবে।
1
এরপর একটি ‘Add-ons Manager’ এর পেইজ খুলবে। সেখানে বাম পাশে ‘Plugins’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবং এরপর, আপনি যে প্লাগিনটি ডিস্যাবল করতে চান সেটির পাশে ‘Disable’ –এ ক্লিক করলেই প্লাগিনটি ডিস্যাবল হয়ে যাবে।
2
যে প্লাগিন গুলো আপনি ডিস্যাবল করবেন বা ডিস্যাবল অবস্থায় থাকে সেগুলোর ফন্ট এর রঙ ধূসর হয়ে থাকে এবং হালকা হয়ে থাকে। এবং আপনি যাতে সহজেই আবার প্লাগিনগুলো অ্যাকটিভ করতে পারেন এ জন্যে ‘ইনাবল’ নামের একটি বাটন দেয়া থাকে।
3
আপনি প্রায় সবগুলোই ডিস্যাবল করে দিতে পারেন কিন্তু যেহেতু ফ্ল্যাশ অনেক সাইটেই ব্যবহার করা হয় তাই ফ্ল্যাশ এর প্লাগিনটি ডিস্যাবল না করাটাই ভালো হবে।
এক্সটেনশন ডিস্যাবল করার মাধ্যমেঃ
আপনি আপনার ব্রাউজারে অনেক রকম সুবিধা যোগ করতে পারবেন নানা রকম এক্সটেনসন ব্যবহার করে। যেমন, সাইটের অ্যাড ব্লক করার জন্য আপনি এক্সটেনসন ব্যবহার করতে পারেন, ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য এক্সটেনসন ব্যবহার করতে পারেন, থিম পরিবর্তন করার জন্য এক্সটেনসন ব্যবহার করতে পারেন অথবা অন্যান্য ব্রাউজারের সুবিধা সমূহ ব্যবহার করার জন্যেও নানা রকমের এক্সটেনসন ব্যবহার করতে পারেন। কথা হচ্ছে, আপনি যত বেশি এক্সটেনসন ব্যবহার করবেন আপনার ব্রাউজার ততটাই ল্যাগি হয়ে যেতে পারে। তাই, ব্রাউজারকে ফাস্ট করতে আপনি এক্সটেনসনগুলো আনইন্সটল না করে শুধুমাত্র ডিস্যাবলও করতে পারেন।
একটি এক্সটেনসন ডিস্যাবল করার জন্য ‘Firefox’ বাটনে ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে ‘Add-ons’ সিলেক্ট করতে হবে। এরপর একটি ‘Add-ons Manager’ এর পেইজ খুলবে। সেখানে বাম পাশে ‘Extensions’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।এবং এরপর যে এক্সটেনসনটি আপনি ডিস্যাবল করতে চান তার ডান পাশে থাকা ডিস্যাবল বাটনে ক্লিক করতে হবে।
4
বেশির ভাগ এক্সটেনসনের ক্ষেত্রে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করতে হবে। আপনি যদি নিচের ছবিটির মত ‘রিস্টার্ট বার্তা’ পেয়ে থাকেন তবে ‘Restart now’ – তে ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।
5
প্লাগিনের মতই যে এক্সটেনসন গুলো আপনি ডিস্যাবল করবেন বা ডিস্যাবল অবস্থায় থাকে সেগুলোর ফন্ট এর রঙ ধূসর হয়ে থাকে এবং হালকা হয়ে থাকে। এবং আপনি যাতে সহজেই আবার এক্সটেনসন গুলো অ্যাকটিভ করতে পারেন এ জন্যে ‘ইনাবল’ নামের একটি বাটন দেয়া থাকে। আর, ডিস্যাবল অবস্থায় থাকা একটি এক্সটেনসন লিস্টের নিচের দিকে থাকে।
6
প্লাগিন আন-ইন্সটল করেঃ
আমি আগেই বলেছি, ফায়ারফক্সের মধ্যে থেকে প্লাগিন সমূহ খুব সহজে ম্যানুয়ালি আন-ইন্সটল করা যায়না। যাই হোক, বেশির ভাগ প্লাগিন তাদের নিজস্ব আন-ইন্সটলেশনের ইউটিলিটির সাথেই ইন্সটল হয়ে থাকে। আপনি সহজেই কনট্রোল প্যানেল এ গিয়ে এই প্লাগিন গুলো আন-ইন্সটল করে নিতে পারেন। আর যদি কোন একটি প্লাগিনের আন-ইন্সটল ইউটিলিটি না থেকে থাকে তবে আপনি ম্যানুয়ালিও আন-ইন্সটল করতে পারবেন, প্রোসেস
নিচে দেয়া হলঃ
• ব্রাউজারের লোকেশন বারে about:config লিখে এন্টার চাপুন। About Plugins Page আসবে।
• About Plugins page এর প্রতিটি এন্ট্রিতে “File:” এবং “Path:” থাকবে যেগুলো প্রতিটি প্লাগিনের নাম এবং লোকেশন দেখাবে। আপনি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে মাধ্যমে সেই প্লাগিনের লোকেশন ভোল্ডারে এক্সেস করুন।
• এক্সটেনসনের ফাইলের নামের আগে একটি X যুক্ত করে দিন। যেমন, ফাইলের নাম npswf32 থাকলে রিনেম করে Xnpswf32 করে দিন।
ব্যাস, প্লাগনটি মুছে যাবে।
এক্সটেনসন মুছে দিয়েঃ
আপনি যদি সম্পুর্ন ভাবে একটি এক্সটেনসন মুছে দিতে চান তবে উপরে উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী Add-ons Manager খুলুন এবং Extension ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার, যে প্লাগিনটি মুছে দিতে চান তার ডানের থাকা ‘Remove’ বাটনে ক্লিক করুন। রিস্টার্ট মেসেজ পেলে ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করুন। ব্যাস।
7
ব্রাউজিং ডাটা ক্লিয়ার করেঃ
ফায়ারফক্স আপনার ভিসিট করা প্রতিটি সাইট ট্র্যাক করে থাকে। এছাড়াও, আপনি যে ফাইলগুলো ডাউনলোড করে থাকেন (ইন বিল্ট ডাউনলোডার দিয়ে), ইন্টার্নেটে যা সার্চ করে থাকেন, কুকিস, আপনার ইউজার নেইম-পাসওয়ার্ড ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করে রাখে। এই সব ডাটা গুলো ব্রাউজারের হিস্টোরি ডাটাবেসে জমা হয় এবং আস্তে আস্তে এই ডাটাবেসে অনেক ডাটা জমে যায় এবং এর ফলে ব্রাউজার ল্যাগি হয়ে যেতে পারে। অনেক রকম পদ্ধতিতেই আপনি এই ব্রাউজারের ডাটা গুলো মুছে দিতে পারেন।
আপনার সমস্ত ব্রাউজারের ডাটা মুছে ফেলুনঃ
একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্রাউজার ডাটা মুছে ফেলার জন্য firefox থেকে History তে যান। ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে রিসেন্ট হিস্টোরী ক্লিয়ার করে দিন।
৮
আপনি একটি ডায়লগ বক্স পাবেন। আপনি কি কি মুছে দিতে চান ‘Details’ এ ক্লিক করে আপনি তা নির্ধারন করে দিতে পারেন।
৯
এখন আপনার প্রয়োজন মত সময় অনুযায়ী ব্রাউজারের ডাটা মুছে দিতে পারেন।
১০
আপনি যদি সবগুলো বক্স সিলেক্ট করে দিয়ে থাকেন তবে আপনাকে একটি বার্তা দেখাবে যাতে লেখা থাকবে যে আপনি একবার মুছে দিলে এই ডাটা গুলো আর রিস্টোর করতে পারবেন না। তাই, বুঝে শুনে ব্রাউজারের ডাটা মুছুন।
১১
ফায়ারফক্স বন্ধ করার সাথে সাথে অটোমেটিক্যালি যেভাবে ব্রাউজারের ডাটা মুছে যাবেঃ
আপনি যদি চান যে প্রতিবার আপনার কাজ শেষে যখন আপনি ব্রাউজারটি ক্লোস করবেন তখন ব্রাউজিং করার সময় জমা ডাটা গুলো মুছে যাক তবে Firefox > Option > Privacy-তে যান। দেখবেন হিস্টোরীতে Firefox will" সেটিংসে Remember History দেয়া আছে। আপনি সেখানে ক্লিক করে Use Custom Settings for History সিলেক্ট করুন।
১২
এবার সেটিংসে ক্লিক করুন। সেটিংসে যাবার পর হিস্টোরিতে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন যেগুলো আপনি প্রতিবার মুছে দিতে চান এবং Ok চেপে বের হয়ে আসুন।
১৩
ব্যাস হয়ে গেল, আপনার ব্রাউজার কিছুটা হলেও আগের মত দ্রুত কাজ করবে। এই নিয়মগুলো অনুসরন করেই আপনি সহজে আপনার ব্রাউজারকে ফাস্ট রাখতে পারেন। যদি, আবার ল্যাগি মনে হয় তবে প্লাগিন এবং এস্কটেনসন চেক করে দেখবেন যে নতুন করে কিছু জমে গিয়েছে কিনা।
Read more ...

২৫ ডলার মূল্যের স্মার্টফোন আনছে মজিলা !

Julianna | 3:28 AM | Be the first to comment!
Mozilla OS খ্যাতনামা ব্রাউজার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা এবার আনতে যাচ্ছে বিশ্বের সবথেকে কম মূল্যের স্মার্টফোন । সম্প্রতি মজিলা চায়নিজ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্প্রীডট্রাম এর সাথে একটি অংশীদারীত্বের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, যার ফলে তারা বিশ্বের সর্বাপেক্ষা কমমূল্যের স্মার্টফোন আনবে যার জন্য গুণতে হবে ২৫ মার্কিন ডলার।

২৫ মার্কিন ডলার মূল্যের এই স্মার্টফোনে থাকবে ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রীন, যার রেজুলেশন হবে ৩২০x৪৮০ পিক্সেলের। ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমে চালিত এই ফোনে আরো থাকবে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এফ এম রেডিও ও অন্যান্য সুবিধা। এই ফোনের রিয়ার ক্যামেরা হবে ২ মেগাপিক্সেলের। এই ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহৃত হবে মজিলা ফায়ারফক্স, যেখানে থাকবে এইচটিএমএল৫ সাপোর্ট সুবিধা।
তবে এখন পর্যন্ত এই ফোনের বিষয়ে মজিলা কোন ধরণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
Read more ...

শিগগিরই উইন্ডোজ ফোনে আসছে ফেসবুক মেসেঞ্জার

Julianna | 3:27 AM | Be the first to comment!
মাইক্রোসফটের কর্মকর্তা জো বেলফিওর এবার ফেসবুক মেসেঞ্জার উইন্ডোজ ফোনে আসার ঘোষণা দিয়েছেন। ফেসবুকে চ্যাট করার জন্য জনপ্রিয় এই অ্যাপ্লিকেশনটি আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অনেকদিন ধরে থাকলেও উইন্ডোজ ফোনে এখনও নেই। তবে শিগগিরই উইন্ডোজ ফোন ব্যবহারকারীদের ফেসবুক মেসেঞ্জারের জন্য অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, উইন্ডোজ ফোন মুক্তি পাওয়ার সময়ই ফেসবুক মেসেঞ্জার বিল্ট-ইন অ্যাপ হিসেবে দেয়া ছিল। তবে ফেসবুকের নতুন মেসেঞ্জার অ্যাপের অনেক সুবিধাই উইন্ডোজ ফোনের মেসেঞ্জারে অনুপস্থিত। যে কারণে উইন্ডোজ ফোন ব্যবহারকারীরা অনেকদিন ধরেই মেসেঞ্জার মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
ফেসবুক মেসেঞ্জার ‘শিগগিরই’ উইন্ডোজ ফোনে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে। অবশ্য ফেসবুকের সম্প্রতি কিনে নেয়া মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ ইতোমধ্যেই উইন্ডোজ ফোনে রয়েছে। পাশাপাশি ফেসবুকের আরও আগে কেনা ছবি শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইন্সট্যাগ্রামের অ্যাপ্লিকেশনও রয়েছে উইন্ডোজ ফোনে, যেটি পরীক্ষামূলকভাবে গত নভেম্বরে চালু করা হয়।
Read more ...

স্যামসাং চ্যাটঅন অ্যাপে এলো লোকেশন-শেয়ারিং সুবিধা

Julianna | 3:26 AM | Be the first to comment!
ব্ল্যাকবেরির মতো স্যামসাং-এরই রয়েছে নিজস্ব চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন। আর সেই অ্যাপ্লিকেশন নিয়মিত আপডেটও করে থাকে স্যামসাং। তারই ধারাবাহিকতায় চ্যাটঅন নামের এই অ্যাপ্লিকেশনে আসছে লোকেশন শেয়ারিং-এর সুবিধা।
দি নেক্সট ওয়েব এক খবরে জানিয়েছে, কোরিয়ান কোম্পানিটি গ্লিম্পস নামের একটি ফার্মের সঙ্গে তাদের পার্টনারশিপের খবর জানিয়েছে যার মাধ্যমে তারা ব্যবহারকারীদের লোকেশন-শেয়ারিং-এর সুবিধা দিতে পারবে।
চ্যাটঅন অ্যাপ্লিকেশনটি বিশেষ করে স্যামসাং-এর ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী মেসেজিং অ্যাপগুলোর মতো অনেক সুবিধাই এতে এখনও অনুপস্থিত। বিশেষ করে লোকেশন শেয়ারিং অনেক আগে থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ, লাইন, উইচ্যাট ইত্যাদি মেসেজিং অ্যাপগুলোতে রয়েছে।
অবশ্য স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে ‘চ্যাটঅন’ পুরনো খবর মনে হতে পারে। সেই ধারণা ভাঙাতেই স্যামসাং জানিয়েছে, তাদের রয়েছে ১৮০ মিলিয়ন রেজিস্টার্ড ইউজার, যে সংখ্যাটা গত সেপ্টেম্বর থেকে ১০০ মিলিয়ন বেড়েছে। স্যামসাং-এর বেশ কিছু ডিভাইসে অ্যাপটি প্রি-ইন্সটলড থাকে। এছাড়াও আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ফোন ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও আলাদা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায় চ্যাটঅন।
Read more ...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Powered by Blogger.