Saturday, February 15, 2014

মোবাইল ডিভাইস এর নিরাপত্তায় ১০টি টিপস

Julianna | 12:35 AM | Be the first to comment!
আমাদের দেশে অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলছে। স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে এর নিরাপত্তার বিষয়টিও এখন গুরুত্তপূর্ন হয়ে উঠেছে। ডেক্সটপ কিংবা ল্যাপটপ এর ইন্টারনেট ভিত্তিক অনেক কাজই এখন মানুষ স্মার্ট ফোনে সেরে ফেলেন। এতে করে ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ভাইরাস স্মার্ট ফোনে ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকিও মারাত্মক আতঙ্ক হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়াও ওঁত পেতে থাকা হ্যাকারদের ভয় তো আছেই। বিশ্বখ্যাত এন্টিভাইরাস নির্মাতা অ্যাভিরার পক্ষ থেকে মোবাইল ডিভাইসের নিরাপত্তা বিষয়ক ১০ট টিপস প্রকাশ করা হয়েছে যা অনুশরন করে আপনার স্মার্টফোনকে কিছুটা হলেও নিরাপদ রাখতে পারেন।

টিপস ১- ডিভাইসে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করাঃ
পাসওয়ার্ড নির্ধারনের ক্ষেত্রে আপনার ফোন নম্বর, জন্মদিনের তারিখ কিংবা আপনার বহুল ব্যবহৃত কোন নাম্বার ব্যবহার করবেন না। পাসোয়ার্ডটিতে অবশ্যই ছোট হাতের এবং বড় হাতের অক্ষরের মিশেল রাখবেন।
টিপস ২- একটি এন্টি-থেপ্ট সল্যুশন সেট করুনঃ
ল্যাপ্টপ কিংবা ডেক্সটপের তুলনায় স্মার্টফোন খুব হরহামেশাই হারায় কিংবা চুরি হয়ে থাকে। তাই মোবাইলে এন্টি-থেপ্ট সল্যুশনের ব্যবহার খুবই গুরুত্তপূর্ণ। কিছু কিছু মোবাইলে এই সল্যুশনটি ইন্সটল করাই থাকে। যেমনঃ আইফোন এ ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’। তবে যাদের ফোনে এই ধরনের সল্যুশন থাকে না, তারা অ্যাভিরা ফ্রি মোবাইল সিকিউরিটি টাইপের বিশ্বস্ত কোন ব্রান্ডের মোবাইল সিকিউরিটি ব্যবহার করতে পারেন।

টিপস ৩- অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ ভার্শন ইন্সটল করুনঃ

কিছু কিছু অপারেটিং সিস্টেম নিজে নিজেই হালনাগাদ হয়ে থাকে। তবে আপনার স্মার্ট ফোনে সমর্থন করে এমন সর্বশেষ হালনাগাদ ভার্শনের অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের চেষ্টা করুন। এতে শুধুমাত্র আপনার অপারেটিং সিস্টেমে নিতুন ফিচারই যোগ হবে না, ফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও হালনাগাদ হয়ে থাকে। ফলে ভাইরাস আক্রমনের স্বীকার হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।
টিপস ৪- অ্যাপসমূহ হালনাগাদকরনঃ
অপারেটিং সিস্টেমের মত অ্যাপস গুলোও হালনাগাদ করে রাখা উচিৎ। অ্যাপ’স গুলো হালনাগাদ রাখার মাধ্যমেও স্মার্টফোনটিকে অনেকখানি নিরাপদ রাখা সম্ভব।
টিপস ৫- একটি সিকিউরিটি সল্যুশন ইন্সটল রাখা
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ’স গুলো দেখতে যেমন মনে হয়, সত্যিকার অর্থে সেগুলো সেরকম নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখাযায়, অ্যাপ'স গুলোতে সব ফিচারের কথা বলা থাকে, সেগুলো বাস্তবে সেসব কাজ করে না। তাই একটি ভাল মানের সিকিউরিটি সল্যুশন ব্যাবহারের মাধ্যমে অপরিচিত ম্যলওয়্যারের আশংকা থেকে নিরাপ থাকা যায়।
টিপস ৬- আনঅফিসিয়াল অ্যাপস্টোর থেকে ডাউনলোড না করা
স্মার্টফোনে ওয়েব ব্রাউজ করার সময় এন্ড্রয়েড এর জন্য হাজার হাজার অ্যাপলিকেশন এর অফার পাওয়া যায়। কিন্ত, অপরিচিত এবং আনঅফিসিয়াল কোন স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড কিংবা ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারন অধিকাংশ আনঅফিশিয়াল অ্যাপ স্টোরগুলোতে ম্যালওয়্যার সংক্রামনের সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
টিপস ৭- স্মার্ট ফোনের সকল পার্ট’স না খোলা
অনেককে অতি আগ্রহি হয়ে স্মার্ট ফোনের বিভিন্ন পার্ট’স খুলে নাড়া চাড়া করতে দেখা যায়। এটা করলে ডিভাইসের ওয়ারেন্টি জনিত সমস্যার পাশাপাশি নিরাপত্তা জনিত সমস্যার দুয়ারও খুলে যেতে পারে।
টিপস ৮- অনিরাপদ ওয়াইফাই থেকে বিরত থাকুন
বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিংবা বিভিন্ন স্থানে ওয়াই-ফাই উন্মুক্ত থাকে। আপনি যখনই অনিরাপদ ওয়াই-ফাই নেটোয়ার্কে যুক্ত হবেন, তখনি আপনার স্মার্ট ফোনে সংরক্ষিত পাসোয়ার্ড সহ গুরুত্তপূর্ণ তথ্য প্লেইন ডাটা হিসেবে সেই নেটোয়ার্কে চলে যেতে পারে।
টিপস ৯- নিরাপত্তার বিষয়টি সব সময় মাথায় রাখা
নন-উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের ফলে অনেকেই ভাইরাসে আক্রান্ত হবার বিষয়টি ভুলে যান যা কোণ ভাবেই কাম্য নয়। কারন আপনি যেকন সন্দেহ জনক ওয়েবসাইট ব্রাউজিং, ই-মেইল এটাচমেন্ট খোলা কিংবা অ্যাপ’স ব্যবহারের সময় আপনার মনের অজান্তেই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন কিংবা আপনার গোপন তথ্য অন্যের হাতে চলে যেতে পারে।
টিপস ১০- সর্বক্ষেত্রে নিজের ই-মেইল আইডি ব্যবহার করা
বর্তমানে দেশে এবং বিদেশে অনলাইন ব্যাংকিং বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পিসির মত মোবাইল ডিভাইসেও যেকোন সিকিউরিটি সল্যুশন ইন্সটল করার সময় নিজের ই-মেইল আইডি থেকে রেজিস্ট্রেশন করলে অনেক ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
আসলে এই সতর্কতা গুলো অবলম্বন করলেই যতসব অনাকাঙ্খিত বিপদের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আর যেহেতু এখন আমরা টেকনলজির যুগে বসবাস করছি তাই নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আপনার এই পদক্ষেপটুকু আপনাকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
Read more ...

ফ্রীল্যান্সাররা কেন তাদের ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে খারাপ রেটিং পান? প্রধান কারন কি ? কিভাবে সব সময় ভালো রেটিং পাবেন ?

Julianna | 12:34 AM | Be the first to comment!
ধরুন আপনি আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করেছেন । একটি কাজ করলেন, কাজটি খারাপ হয়েছে, তার জন্য ক্লায়েন্ট আপনাকে খারাপ রেটিং দিল । আসলে কিন্তু তা না, বাস্তব উদাহরন দিয়ে বুঝাই, তাহলে হয়ত বুঝবেন ।
মনে করুন, আপনার সাথে একজন লোকের নতুন পরিচয় হয়েছে, সে আপনাকে একটা কাজ দিলো, আপনার কাজটি ভালো না হলেও সে কিন্তু সম্পর্কের খাতিরে আপনার সাথে খারাপ ব্যাবহার করবেনা আপনি যদি তাকে ঠিকভাবে বুঝাতে পারেন বা সম্পর্ক ভালো রাখতে পারেন।
অধিকাংশ ক্লায়েন্টই প্রফেশনাল এবং ভালো লোক খোজে কাজ করানোর জন্য যার সাথে সম্পর্ক ঠিক রেখে কাজ করানো যাবে, যদি আপনি খারাপ রেটিং পান, সেটা ওডেস্কে হোক আর যেখানেই হোক, হয়তো ক্লায়েন্টের মেসেজের দ্রুত রিপ্লাই দেন নাই, বা তার সাথে যোগাযোগ ঠিকমত রাখতে পারেন নাই, কিংবা তাকে ঠিকমতো ম্যানেজ করতে পারেন নাই, তাই খারাপ রেটিং পেয়েছেন। ভালো রেটিং পাওয়া খুবই সহজ, তার প্রধান কারন, সব ক্লায়েন্টের সাথেই সম্পর্ক ভালো রাখা আর খুব ভালো কমিউনিকেশন ।
সব সময় ভাল রেটিং পেতে হলে যা করতে হবেঃ
* কাজ নেয়ার আগে চিন্তা করবেন কাজটা আপনি করতে পারবেন কিনা ।
* ক্লায়ন্ট আপনাকে কোন মেসেজ পাঠালে সাথে সাথে মেসেজ এর রিপ্লাই দেয়ার চেষ্টা করবেন, এতে সে আপনার উপর ভরসা করবে ।
* ক্লাজে কোন সমস্যা হলে আগে ক্লায়েন্টকে জানাবেন, আগেই বন্ধু বান্ধব বা বড় ভাইদের জিজ্ঞেস করবেন না, ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলে সমাধান আনতে না পারলে প্রফেশনাল ফ্রীল্যান্সারদের সাহায্য নিন ।
* ক্লায়েন্ট এর মেসেজের রিপ্লাই ফাস্ট দিতে হলে আপনাকে একটু পর পর মেইল চেক করতে হবে। আর সারাক্ষন তো ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকা সম্ভব না, তাই ভালো ভাবে মেইল চেক করা যায় এরকম একটি মোবাইল ফোন ব্যাবহার করতে পারেন, বর্তমানে খুব কম দামে ভালো ভালো এন্ড্রয়েড ফোন কিনতে পাওয়া যায় ।
সবাই ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ
Read more ...

পেন ড্রাইভের বেশ কিছু সমস্যার সমাধান

Julianna | 12:32 AM | 1 Comment so far
পেন ড্রাইভের উপকারীতার শেষ নেই। আবার সমস্যাও কম নয়। ভাইরাস ছড়ানো থেকে শুরু করে ফরম্যাট না হতে চাওয়া ফাইল করাপ্ট হওয়ার মত যন্ত্রনার শেষ নেই। এবার নিজেই ঠিক করপ ফেলুন এসব সমস্যা দুই মিনিটেই!
১। autorun.inf ফাইল সকল হার্ডড্রাইভ এবং পেন ড্রাইভ থেকে সরাতে পিসিকে সেফ মোডে রিবুট করুন।
start>run এ ক্লিক করুন।টাইপ বক্সে cmd লিখে এন্টার চাপুন।এবার কমান্ড কনসোলে গিএ লিখুন del /a:h /f c:\autorun.*
প্রতিটি হার্ড্ডিস্কের জন্য একই পদক্ষেপ শুধু প্রয়োজনীয় হার্ড্ডিস্কের অক্ষর "c" এর সাথে বদল করুন।
২। 'open with' জনিত সমস্যার সমাধান
ডেস্কটপের মাই কম্পিউটারে ডাবল ক্লিক করেন।এবার টুলে যান এবং ফোল্ডার অপশনস নির্বাচন করে ভিউতে যান সেখানে Show Hidden files and folders এবং আনচেক করেন Hide Extension and
Hide protected operating system file.ওকে ক্লিক করেন।
এখন টাস্কম্যানেজার খুলুন (ctrl-shift-esc) সেখান থেকে প্রসেস নির্বাচন করুন এবং খুজুন wscript.exe পেলে প্রসেসটি বন্ধ করুন।
এখন যান Start -> Search খোজ করুন “autorun.inf”.
যেসব ফাইলে MS32DLL.dll.vbs লেখা আছে তা ডিলিট করুন
SHIFT + DELETE চেপে. একই সাথে সিস্টেম থেকেও ডিলিট করুন।
(C:\WINDOWS\ MS32DLL.dll.vbs)
এবার রেজিস্ট্রি এডিটরে যান Start -> Run -> Regedit এন্টার চাপুন।
নির্বাচন করুনHKEY_LOCAL_MACHINE –> Software –>Microsoft –>Windows –> Current Version –> Run.
খুজুন “MS32DLL” এবং ডিলিট করুন।
এবার নির্বাচন করুন HKEY_CURRENT_USER –> Software –> Microsoft –> Internet Explorer –> Main.
এখনে একটা উইন্ডো পাবেন “Hacked by Godzilla” লেখা সেটা ডিলিট করুন।
রেজিস্ট্রি এডিটর বন্ধ করুন।
যান Start –> Run -> gpedit.msc এন্টার চাপুন।. চালু হবে“Group Policy”.
নির্বাচন করুন User Configuration –> Administrative Templates –> System –> ডাবল ক্লিক করুন “Turn off Auto play” .উইন্ডোতে নির্বাচন করুন
“Enabled” এবং “All drives”. এখন Group Policy বন্ধ করুন।
এখন যান Start –> Run -> msconfig -> Startup.
খুজুম MS32DLL, পছন্দ করুন Enable All, এবং আনচেক করুন “MS32DLL” ক্লিক এপ্লাই এবং ওকে।
“System Configuration Utility” থেকে বের হয়ে আসুন ও নির্বাচন করুন
“Exit without Restart”
সবশেষে যান My Computer -> Tools -> Folder Options -> View.
নির্বাচন করুন Hide Extension and Hide protected operating system file এবং don’t show hidden
files and folders.“Recycle bin” খালি করুন এবং পিসি “Restart” করুন।
৩। The device ‘Generic volume’ cannot be stopped right now: এর সমাধান
My Computer -> Right click on drive icon
নির্বাচন করুন hardware - > Device -> Policies
নির্বাচন করুন Optimize for quick performance।
৪। USB drive will not appear in your Computer এর সমাধান
এটা হতে পারে যে আপনি পেন ড্রাইভ পিসিতে যুক্ত করেছেন কিন্তু উইন্ডোজ ডিটেক্ট করেও আইকন শো করছে না।.এক্ষেত্রে মূল সমস্যায় উইন্ডোজে যে সে পেন ড্রাইভের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রাইভ লেটার দিতে পারছে না।এর জন্য আমাদের যা করতে হবে
* যান Start -> Run -> টাইপ করুন diskmgmt.msc এবং এন্টার চাপুন।
* নির্বাচন করুন USB Drive -> এর উপর রাইট ক্লিক করুন. এখন ক্লিক করুন Change Drive Letter and paths
* ড্রপ ডাউন মেনু থেকে অব্যাবহৃত ড্রাইভ লেটার পছন্দ করুন এবং ইয়েস ক্লিক করে কনফার্ম হয়ে ওয়ার্নিং মেসেজ ছেড়ে বেড়িয়ে আসুন।
* এখন নতুন ড্রাইভ লেটার সহ আপনার পেন ড্রাইভ মাই কম্পিউটারে শো করবে।
* এখন পেন ড্রাইভ ব্যাবহার করুন অনায়াসে।
৫। Double click on drive opens new window এর সমাধান
মেথড ১।
* যান Start -> Run and টাইপ করুন regsvr32 /i shell32.dll. ওকে ক্লিক করুন।
* DllRegisterServer এবং DllInstall in shell32.dll succeeded মেসেজ আসবে।ব্যাস হয়ে গেল।
মেথড ২:
* খুলুন Start >> Run এবং টাইপ করুন regedit
* যান HKEY_CLASSES_ROOT/Directory/Shell. ডাবল ক্লিক করুন the default key টাইপ করুন none এবং ওকে চাপুন।
* এবার যান HKEY_CLASSES_ROOT/Drive/Shell. ডাবল ক্লক করুন the default key টাইপ করুন none এবং ওকে চাপুন।
পরিষিষ্ট: পেন ড্রাইভ ব্যাবহারের কৌশলঃ
১।সবসময় পেন ড্রাইভ পোর্ট থেকে ৯০ ডিগ্রীতে ইন্সার্ট কতুন।
২।খুব বাজে পরিস্থিতি না হলে ফরম্যাট করবেন না।
৩।১৫ দিনে একবার হলেও ডি-ফ্র্যাগমেন্ট করুন।
৪।যখনই পেন ড্রাই আন-প্লাগ করবেন তখন safely remove option ব্যাবহার করুন।
৫।পেন ড্রাইভের সিরিয়াল নম্বর সযত্নে রাখুন।
৬।পেন ড্রাইভ খোলার আগে ভাইরাস আছে কিনা চেক করে নিন।
আশা করি এর পর আপনার পেন ড্রাইভ জনিত সমস্যা নিয়ে আর ভূগতে হবেনা। ভবিষ্যতে এমন আরও টিপস নিয়ে লিখব। আজকের মত এখানেই শেষ।
Read more ...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Powered by Blogger.