Sunday, November 17, 2013

সাইবারক্রাইম থামাতে প্রস্তুত মাইক্রোসফট সাইবারক্রাইম সেন্টার

Julianna | 2:10 AM | Be the first to comment!
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা মাইক্রোসফট। শুধু তাই নয়, মাইক্রোসফট বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সাইবার জগতকে উপকৃত করে আসছে। সম্প্রতি তারা সাইবার হ্যাকিং এর বিরুদ্ধে নতুন একটি কৌশল অবলম্ববন করতে যাচ্ছে।
MSC
ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে মাইক্রোসফট নতুন একটি সাইবারক্রাইম সেন্টার তৈরি করেছে। এতে সেরা সেরা সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার, ডিজিটাল ফরেনসিস এক্সপার্ট, ফাইটিং সফটওয়্যার পাইরেটস ট্রেইন্ড ল’ইয়ারদেরকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসতে যাচ্ছে। গত ১৪ নভেম্বর এই মাইক্রোসফট সাইবারক্রাইম সেন্টার উদ্ভোদনের মাধ্যমে টেকনোলজিতে যে শূন্যস্থান ছিল তা পূরণ করার পদক্ষেপ নিল মাইক্রোসফট। ইতিমধ্যে অনেকগুলো প্রাইভেট কোম্পানি এক হয়ে কাজ করার ফলে সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে একটি বড় জয় এসে পরেছে।
ওয়াশিংটনের সেন্টারটি পরিদর্শন করার সময় মাইক্রোসফটের ডিজিটাল ক্রাইম ইউনিট চীফ ডেভিড ফিনন বলেন, “সাইবারক্রাইমের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রতি বছর প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউসার সাইবারক্রাইমের শিকার হয় ও প্রায় ১১০ বিলিয়ন ডলার নষ্ট হয়”। তবে তিনি আশা করেন, বিভিন্ন স্পেশালিস্টদের একত্রে নিয়ে আসার এই পরিকল্পনার মাধ্যমে ইন্টারনেট ও মাইক্রোসফটের আরও উন্নতি হবে।
মাইক্রোসফট সাইবারক্রাইম সেন্টারটির বিভিন্ন রুমের মধ্যে কেন্রদ্রে য়েছে একটি ল্যাব। যেখানে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার নিয়ে কাজ চলবে। ল্যাবটিতে শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট অথোরাইজেশনের মাধ্যমে প্রবেশ করা যাবে। এর পাশে রয়েছে আরেকটি রুম যেখানে একটি মনিটরের মাধ্যমে বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডর ও দেশের ইন্টারনেট ট্র্যাক করার জন্য নানা ধরনের মেশিন রয়েছে। তার সাথের রুমটিতে টাচ স্ক্রিন মনিটর রয়েছে। সেখানে পুলিশ বা মাইক্রোসফট এর কাস্টমারদের জন্য নির্দিষ্ট কাজের জন্য বসার পর্যাপ্ত সিট রয়েছে। সেন্টারটিতে রয়েছে হাজারেরও বেশি বোটনেট।
মাইক্রোসফটের এই ক্রাইম ইউনিট কোনভাবেই গভর্নমেন্ট স্পায়িং এ সমস্যা করবেনা। বরং নানা তথ্যের মাধ্যমে তাদেরকে সাহায্য করবে। আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি মাইক্রোসফটকে নিরাপত্তা প্রদান করবে। এছাড়াও অন্যান্য ইউনিট এ প্রোজেক্টে মাইক্রোসফটকে সহায়তা করবে।
Read more ...

প্যানোনো বল ক্যামেরাঃ ক্যামেরা জগতে এক নতুন অধ্যায়

Julianna | 2:07 AM | Be the first to comment!
একত্রে অনেকগুলো ছবি তুলতে হলে আপনার কি করবেন? আশেপাশের সুন্দর দৃশ্যাবলী থেকে একটি একটি করে ছবি তুলতে হবে। তাছাড়া আর কোন পথ নেই। কিন্তু যদি এমন হয় যে আপনি এমন একটি ক্যামেরা দিয়ে ফটো তুলতে পারবেন যা একই সময়ে আপনার আশেপাশের সবকিছুর অর্থাৎ সম্পূর্ণ ৩৬০ ডিগ্রি ফটো তুলে দিবে তাহলে কেমন হয়?
এর জন্য অবশ্যই এমন একটি ডিভাইস লাগবে যাতে অনেকগুলো ক্যামেরা থাকবে বিভিন্ন দিকের ছবি একত্রে তুলবে যা একটি পরিপূর্ণ ৩৬০ ডিগ্রি ফটো তুলবে। অর্থাৎ আপনি নিজের চোখ দিয়ে যেরকম ভাবে চারপাশ দেখতে পারছেন ঠিক সেরকমভাবেই পারবেন ফটোতে দেখতে। তাহলে কেমন হয়?
Panono
বর্তমান সময়ে কিছুই অসম্ভব নয়। ইতিমধ্যে বাজারে স্কুইটো, বাবলক্যাম ইত্যাদি ক্যামেরা বের হয়েছে যার দ্বারা সম্পূর্ণ ৩৬০ ডিগ্রি ফটো তোলা সম্ভব। সম্প্রতি জোনাস ফেইল নামক একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার উদ্ভাবন করেছেন প্যানোনো ক্যামেরা, একটি বলের মত দেখতে ডিভাইস যা উপরের দিকে ছুঁড়ে মারলে ফটো তুলবে। প্যানোনোতে একটি সুন্দর প্রোগ্রাম সেট করা আছে যার ফলে হাত দিয়ে উপরের দিকে উঠিয়ে দিলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি উঠে যাবে। ক্যামেরাতে নির্দিষ্ট উচ্চতা প্রোগ্রাম সেট করা আছে যার বেশিতে উঠলে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি তোলে। এতে ৩৬ টি ছোট ছোট ক্যামেরা সেট করা আছে যার ফলে এটি আশেপাশের সকল দিকের ছবি তুলতে পারে। এটি অনেকটা ক্রিকেটের বলের মত। উপরের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে ক্যাচ ধরলেন। ব্যস, উঠে যাবে ছবি। এবার ডিভাইসটি স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাথে কানেক্ট করে ছবিটি নেয়া যাবে। তারপর ছবিগুলোকে ঠিকভাবে সংযুক্ত করলেই পাওয়া যাবে ৭২ মেগাপিক্সেলের পুর্নাঙ্গ ছবি।
প্যানোনো ক্যামেরার উদ্ভাবক জোনাস ফেইল বলেন, “অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে মানুষ একত্রে অনেক কিছুর ফটো বা অনেকের ফটো তুলতে চায়। কিন্তু সাধারন ক্যামেরায় তা সম্ভব হয় না। এই টেকনোলজির মাধ্যমে এখন এটি সম্ভব। এখন একটি ক্লিকেই একত্রে অনেক দিকের ফটো তোলা যাবে। একটি ফটোতেই প্রয়োজনীয় সবকিছু পাওয়া যাবে ও সময়ও খুব অল্প লাগবে”। তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে প্যানোনো ক্যামেরাতে এমন কি আছে যা আগের ক্যামেরাগুলোকে পেছেনে ফেলতে পারে। এর উত্তরে জোনাস ফেইল বলেন, “এই ডিভাইসটিতে ছোট ছোট ৩৬ টি ক্যামেরা রয়েছে যা আর কোনটিতে নেই। এছাড়াও প্যানোনো যেকোনো চলমান বস্তুর ফটো সুন্দরভাবে তুলতে পারবে”।
প্যানোনো ক্যামেরাটি এখনও ডিজাইন পর্যায়। আগামী বছর এটির কাজ সম্পূর্ণ শেষ করে বাজারজাত করা যাবে বলে আশাবাদী জোনাস ফেইল। আগের ক্যামেরাগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে বলে তার ধারণা। তিনি আরও আশা করেন নতুন ধরনের ফটোগ্রাফি তৈরিতে তার ক্যামেরাটি বেশ সহায়ক হবে।
Read more ...

প্লেস্টেশন ৪ এর টুকিটাকি

Julianna | 2:02 AM | Be the first to comment!
সনি’র অষ্টম প্রজন্মের গেমিং কনসোল প্লেস্টেশন ৪ আমেরিকার বাজারে আজ মুক্তি পেয়েছে।
প্লেস্টেশন ৩ এর উত্তরসূরী প্লেস্টেশন ৪ কিনতে বিক্রেতাদের দোকানের সামনে আগ্রহী ফ্যানদের বিশাল লাইন দেখা গেছে। অনলাইন বিক্রেতাদের কাছে প্লেস্টেসশন ৪ এর স্টক শেষ। এটি দেশের বাজারে অফিসিয়ালি মুক্তি পাবে সে ব্যাপারে জানা না গেলেও অনেকেই বিদেশ থেকে হয়তোবা কিনে আনবেন পরবর্তী প্রজন্মের এই কনসোল। চলুন আমরা দেখে নেই প্লেস্টেশন ৪ এর কিছু টুকিটাকি।
PS4
কনফিগারেশনঃ
প্লেস্টেশন ৪ এ ব্যবহার করে হয়েছে সেমি কাস্টোমাইজড এএমডি এপিইউ বা এক্সেলারেটেড প্রসেসিং ইউনিট। এর প্রসেসরে রয়েছে ৬৪ বিট সাপোর্টেড আট-টি প্রসেসর কোর, সাথে গ্রাফিকাল ইউনিট এ রয়েছে এএমডি গ্রাফিক্স কোর নেক্সট আর্কিটেকচার এর প্রসেসর। গ্রাফিক্স কোর নেক্সট আর্কিটেকচার এর উপর ভিত্তি করেই রেডিওন ৭০০০ এবং ৮০০০ সিরিজের গ্রাফিক্স কার্ডগুলো বানানো হয়ছে। প্লেস্টেশন ৪ এ ৮ জিবি জিডিডিআর৫(GDDR5) র্যাম দেয়া হয়েছে। স্টোরেজ এর জন্য রয়েছে ৫০০ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক যা পরে বাড়ানো যাবে। ৪কে রেজ্যুলেশন পর্যন্ত ডিসপ্লে আউটপুট দিতে সক্ষম প্লেস্টেশন ৪। কানেকটিভিটি এর জন্য রয়েছে ইথারনেট পোর্ট, ইউএসবি থ্রি/টু পোর্ট, ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ। কন্ট্রোলার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে ডুয়ালশক ফোর, প্লেস্টেশন মুভ এবং পিএস ভিতা।
ps4ctrl
কন্ট্রোলারঃ প্লেস্টেশন ৪ এর জন্য সনি এনেছে ডুয়ালশক ৪ কন্ট্রোলার। র্তমান কন্ট্রোলার ডুয়ালশক ৪ এর পূর্বসূরী ডুয়ালশক ৩ নিয়ে অভিযোগের অন্ত ছিল না। কিন্তু ডুয়ালশক ৪ এর প্রশংসা করছে রিভিউয়ার/ক্রেতা সবাই।
ডুয়ালশক ফোর এ নতুন ফিচার হিসেবে রয়েছে ক্যাপাসিটিভ টাচ প্যানেল। এছাড়া রয়েছে একটি লাইট বার। গেম খেলার সময় বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করবে এই বার রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে। গেমের বিভিন্ন অ্যাচিভমেন্ট, স্কোর লাইভ স্ট্রিম অথবা ফেসবুকে শেয়ার করার জন্য দেওয়া হয়েছে শেয়ার বাটন। পিসি ব্যবহারকারীদের জন্য খুশীর খবর হল ডুয়ালশক ৪ পিসিতে অফিসিয়ালি সাপোর্ট করবে। ফলে ব্যবহারকারীদের ডুয়ালশক ৪ পিসিতে ব্যবহার করতে থার্ড পার্টি কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা লাগবে না।
মূল্যঃ
প্লেস্টেশন ফোর ৩৯৯ আমেরিকান ডলার এ বিক্রি করা হবে। তবে এই মূল্যে বিক্রির কারণে ডিভাইস প্রতি সনির ৬০ ডলার করে লস দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইউরোগেমার। সনি ডুয়ালশক ৪ কন্ট্রোলার এর খুচরা মূল্য ধরেছে ৬০ ডলার। এছাড়া এক্সেসরি হিসেবে সনি বিক্রি করছে প্লেস্টেশন ক্যামেরা। এর মূল্যও ৬০ ডলার।
গেমসঃ
অ্যামাজন ডট কম এ প্লেস্টেশন ৪ এর জন্য নিম্নের গেমগুলো পাওয়া যাচ্ছে। সনি বলেছে শীঘ্রই আরও গেম পাওয়া যাবে।
১। এসাসিন্স ক্রিড ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ
২। নীড ফর স্পীড রিভালস
৩। কল অফ ডিউটি ঘোস্টস
৪। ডিসি ইউনিভার্স অনলাইন
৫। ফিফা ১৪
৬। ব্যাটেলফিল্ড ৪
৭। কিলজোনঃ শ্যাডো ফল
অনলাইন সার্ভিসঃ
প্লেস্টেশন ৪ ব্যবহারকারীরা অনলাইনে খেলতে চাইলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফী দিতে হবে। এক বছরের জন্য এর ব্যবহারকারীকে গুনতে হবে ৪৯.৯৯ ডলার। কেউ যদি চান তাহলে শুধু এক মাস বা তিন মাসের জন্যও সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। সেজন্য গুনতে হবে যথাক্রমে ৯ ডলার ও ১৮ ডলার।
সমস্যা ও অন্যান্যঃ
কিছু সংখ্যক ক্রেতারা প্লেস্টেশন ৪ কেনার পর সমস্যায় পড়েছেন। অ্যামাজনে প্লেস্টেশন ৪ এর রিভিউ ঘেটে দেখা গেছে ২৮৫টি ১ স্টার রেটিং পড়েছে। যেসব ক্রেতা ১ স্টার রেটিং দিয়েছেন তাদের মন্তব্য পড়ে দেখা গেছে অধিকাংশ ক্রেতা ইউনিটটি প্যাকেজ খুলে বের করার পর চালাতে পারেননি। এক্সবক্স ৩৬০ এর বিখ্যাত "রেড রিং অফ ডেথ" এর মত তারা প্লেস্টেশন ৪ এর এই মৃত অবস্থাকে "ব্লু লাইট অফ ডেথ" বলে অভিহিত করেছেন।কিছু সংখ্যক ক্রেতার ডুয়ালশক কন্ট্রোলার কানেক্ট করতে পারেন নি। কিছু ক্রেতাদের ইউনিট কোন ডিসপ্লে প্রদর্শন করে নি। এদিকে অ্যামাজন এর ফোরামে একজন ইউজার জানিয়েছেন "HONGFUJIN YANTAI (Northern China)" ফ্যাক্টরীতে আগস্ট এ তৈরী মডেল এবং সেপ্টেমবার এ তৈরী কিছু মডেল মৃত অবস্থায় ক্রেতাদের কাছে পৌছাচ্ছে।
সনি অফিসিয়ালি এ ব্যপারে আইজিএনকে(IGN) নিম্নের বিবৃতি দিয়েছেঃ
"A handful of people have reported issues with their PlayStation 4 systems. This is within our expectations for a new product introduction, and the vast majority of PS4 feedback has been overwhelmingly positive. We are closely monitoring for additional reports, but we think these are isolated incidents and are on track for a great launch.
There have been several problems reported, which leads us to believe there isn’t a singular problem that could impact a broader percentage of systems. The number of affected systems represents less than .4% of shipped units to date, which is within our expectations for a new product introduction."
ক্রেতারা এসব সমস্যার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও প্লেস্টেশন ৪ এর বিক্রি থেমে থাকে নি। অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের স্টক অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এ লেখা লেখার সময় বিভিন্ন সাইট ঘুরে স্টক শেষ বার্তা দেখা গেছে।
মাইক্রোসফট এর অষ্টম প্রজন্মের এক্সবক্স ওয়ান কনসোল থেকে ভাল রেটিং পাওয়া প্লেস্টেশন ৪ এখন কিরকম বিক্রি হয় সেটা দেখার বিষয়। তবে, অসন্তুষ্ট ব্যবহারকারীদের জন্য সনি কি ব্যবস্থা নিবে সে ব্যাপারেও অনেকে মুখিয়ে আছে। কেউ কেউ বলছে, মুক্তির সাথে সাথে প্লেস্টেশন ৪ এর এই সমস্যা সনির জন্য শাখের করাত হয়ে দাঁড়াবে।
Read more ...

Wednesday, November 13, 2013

বাংলাদেশে চালু হয়েছে উইকিপিডিয়া জিরো প্রকল্প

Julianna | 10:58 PM | Be the first to comment!
ইন্টারনেটে মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া (www.wikipedia. org) বর্তমানে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। ২৮৫টি ভাষায় থাকা উইকিপিডিয়া সহজে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে নানা ধরনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে উইকিপিডিয়া পরিচালনা সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন থেকে। এরই অংশ হিসেবে গত বছর উগান্ডায় চালু হয় উইকিপিডিয়া জিরো প্রকল্প। প্রকল্পটি ইতিমধ্যে জিতেছে সাউথ বাই সাউথওয়েস্ট (এসএক্সএসডব্লিউ) ২০১৩ পুরস্কার।
priyo.com
সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও চালু হয়েছে উইকিপিডিয়া জিরো প্রকল্প। বাংলাদেশে বর্তমান বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন এ সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া খুব শিগ্রই গ্রামীণফোন লিমিটেডও এ সেবা দেয়া শুরু করবে। এ বিষয়ের সামগ্রিক অবস্থা জানতে ঢাকায় এসেছেন উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের মোবাইল প্রোগ্রামের পরিচালক ক্যারোলিন স্লোয়েডার।
এ উপলক্ষ্যে বুধবার ঢাকার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত স্থানীয় চ্যাপ্টার উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ক্যারেলিন স্লোয়েডার। এ সময়ে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের সভাপতি মুনির হাসান, কোষাধ্যক্ষ আলী হায়দার খান, নির্বাহী সদস্য শাবাব মোস্তাফা, তানভীর মোরশেদ, বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব, নাসির খান সৈকত, বেসিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট উত্তম কুমার পাল, গ্রামীণফোনের ডিজিটাল এবং সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের প্রধান জাকিয়া জেরিন, বাংলালিংকের ভ্যাস বিভাগের শফিক শামসুর রাজ্জাক, রবির মার্কেট অপারেশন বিভাগের ব্যবস্থাপক তারেক মোহাম্মদ এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।
ক্যারোলিন স্লোয়েডার জানান, ‘মোবাইলের মাধ্যমে সহজে বিনা মূল্যে উইকিপিডিয়ার তথ্য পাওয়ার সুবিধার্থে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চালু করা হয় উইকিপিডিয়া জিরো প্রকল্প। মুক্ত জ্ঞান সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এবং বিনা মূল্যে তথ্য হাতের মুঠোয় পৌঁছাতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন। এর ফলে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিনা মূল্যে গ্রাহকদের উইকিপিডিয়া ব্যবহারের সুযোগ দেবে।’
সংবাদ সম্মেলনে মুনির হাসান জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রায় তিন কোটি লোক এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এদের অনেকেই শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে বিনামূল্যে তথ্য ভান্ডার উন্মক্ত করতে পারলে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন আমাদের জন্য সহজ হবে। উলে­খ্য, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চালু হওয়া এই প্রকল্প ইতিমধ্যে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। মূলত এ সেবা
m.wikipedia.org Ges এবং zero.wikipedia.org সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশে বর্তমানে বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি উইকিপিডিয়া জিরো প্রকল্পের সহযোগী।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ: উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের লোকাল চ্যাপ্টার হিসেবে কাজ করছে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ। উইকিপিডিয়া এবং উইকিমিডিয়ার বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত স্বেচ্ছাসেবকেরা বাংলা উইকিপিডিয়াকে সম্প্রসারনের ক্ষেত্রে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করেন। ২০১১ সালের অক্টোবর মাস থেকে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত চ্যাপ্টার।
চালু হওয়ার পরেই গত বছরের মার্চে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম বাংলা উইকিপিডিয়া আনকনফারেন্সের আয়োজন করে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ। দুই দিনের এ আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জন অংশ নেয়। এর বাইরে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন কর্মশালা, মিট-আপ, সমাবেশ এবং অনলাইন, অফলাইন অনুষ্ঠান করে যাচ্ছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক উইকিমিডিয়া কমিউনিটিতে ফান্ড ডিসিমিনিশন কমিটি, অ্যাফকম, গ্র্যান্ড একসেস কমিটিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকল্পে কাজ করছেন বাংলাদেশের উইকিপিডিয়া সম্পাদকেরা।
Read more ...

কিভাবে এনক্রিপ্টের মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন?

Julianna | 10:53 PM | Be the first to comment!
এটা খুবই স্বাভাবিক যে কম্পিউটারে আপনার অনেক ব্যক্তিগত বা স্পর্শকাতর তথ্য জমা থাকে। কেউই নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সম্পর্কে অন্য কেউ জেনে যাক। ইন্টারনেটেও নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্যে তথ্য অন্যের নাগালের বাইরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কথা হচ্ছে, কিভাবে? আপনি কিভাবে বিশেষ কিছু তথ্য অন্য কারু নাগালের বাইরে রাখতে পারেন কিংবা নিরাপদে ইমেইলে অন্য কাউকে গোপনীয় বা ব্যক্তিগত তথ্য পাঠাতে পারেন? এসব নিয়েই আজকের আলোচনা।
original.jpg

এনক্রিপ্ট কি?

প্রথমত কথা হচ্ছে, আপনি যদি কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোন তথ্যে অন্য কাউকে প্রবেশাধিকার দিতে না চান তবে প্রথমে আপনাকে ওই তথ্যের ওপর একটি বাড়তি সুরক্ষা আবরণী দিতে হবে। আর এই বাড়তি সুরক্ষা আবরণী দেওয়াকে বলা হচ্ছে এনক্রিপ্ট করা বা সহজ কথায় পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করা। মূলত যেকোনো ব্যবস্থায় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার ব্যাপারটি আসলে ওই সিস্টেমটিকে এনক্রিপ্ট করা। ফলে ওই এনক্রিপ্টিং পাসওয়ার্ড ব্যতীত ওই ব্যবস্থার কোন অংশের পরিবর্তন করা যায় না। অর্থাৎ ওই ব্যবস্থা অথবা তথ্য সুরক্ষিত থাকে।
lock-on-keyboard.jpg
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কিভাবে এই পদ্ধতিতে তথ্য সুরক্ষিত করবেন? এজন্যে আসলে অনেকগুলো পদ্ধতি রয়েছে। তার মধ্যে তুলনামূলক সহজ ও বহুল ব্যবহৃত কিছু পদ্ধতি নিয়ে এখানে আলোচনা করা হল।

একটি এনক্রিপটেড আর্কাইভ তৈরি করে

উইন্ডোজ এক্সপি পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড জিপ (ZIP) ফাইল তৈরি করার সুযোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এই সুবিধাটি দেয় না। তবে চিন্তা নেই। আপনি চাইলে থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের মাধ্যমে এই সুবিধা পেতে পারেন যা আপনাকে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ফাইল কম্প্রেসনের সুযোগ দেবে। এর জন্যে অনেক ধরণের সফট্ওয়্যার থাকলেও বহুল ব্যবহৃত এমন একটি সফটওয়্যার হচ্ছে 7-Zip। এটি ওপেন সোর্স বা সম্পূর্ণ ফ্রী একটি সফট্ওয়্যার। এর সাহায্যে সহজেই আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন।
create-encrypted-zip-file.png
7-Zip সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে ইনস্টল করার পর আপনি এর সাহায্য আর্কাইভ প্রস্তুত করতে পারবেন। চাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে সেই আর্কাইভ সুরক্ষিত করে রাখতে পারবেন। এক্ষেত্রে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে আপনার এনক্রিপ্ট টাইপ যেন AES-256 নির্বাচন করা থাকে। এখন আপনি আপনার পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড আর্কাইভে যে তথ্যই রাখুন না কেন সেটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ওই পাসওয়ার্ডের সাহায্যে সুরক্ষিত থাকবে। কেউ যদি ওই তথ্যের প্রবেশাধিকার চায় অর্থাৎ আর্কাইভে ঢুকতে তবে তাকে ওই পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

মাইক্রোসফট অফিস ফাইল এনক্রিপ্ট করে

মাইক্রোসফট অফিস এনক্রিপ্টের মাধ্যমে ফাইল সুরক্ষিত করার সুবিধা দিয়ে থাকে। মাইক্রোসফট তাদের অফিস ২০০৭ থেকে এইএস (AES) এনক্রিপ্সন ব্যবস্থা চালু করেছে। সুতরাং মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ সহ আপনি এর পরবর্তী সংস্করণে আরও ভাল এনক্রিপ্ট সুবিধা পাবেন।
encrypt-word-2013-document-with-password.png
মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ কিংবা ২০১৩ সংস্করণে এনক্রিপ্টের মাধ্যমে ফাইল সুরক্ষিত রাখতে আপনাকে প্রথমে ফাইল মেন্যু নির্বাচন করতে হবে। তারপর সেখানে প্রটেক্ট ডকুমেন্টে গেলে দেখতে পাবেন এনক্রিপ্ট উইথ পাসওয়ার্ড নামে অপশন রয়েছে। সেখান থেকে পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে আপনার যেকোনো মাইক্রোসফট অফিস ফাইল নিরাপদ রাখতে পারেন। এরপর কেউ ওই ডকুমেন্ট সম্পাদনা করতে চাইলে তার জন্যে সেই নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে।
মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩ আপনাকে পিডিএফ ফাইলও এনক্রিপ্টের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখার সুবিধা দেবে।

ট্রুক্রিপ্টের সাহায্যে এনক্রিপ্টেড ভলিউম তৈরি করে

ট্রুক্রিপ্টের সাহায্যে এনক্রিপ্টেড ভলিউম তৈরি করে আপনি চাইলে তথ্যের নিরাপত্তা বিধান করতে পারেন। এটি যেসব সুবিধা দিয়ে থাকে সেগুলো হল-
  • হার্ড ড্রাইভে একটি এনক্রিপটেড ভলিউম তৈরির সুযোগ দেয়। ফলে পাসওয়ার্ড ব্যতীত সেই ভলিউমে কারো প্রবেশাধিকার থাকে না।
  • যেকোনো ধরণের ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভে এনক্রিপ্টেড ভলিউম তৈরির সুযোগ দেয়। ফলে কোন কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হারিয়ে গেলেও কেউ আপনার তথ্য থাকবে সুরক্ষিত। এছাড়া ট্রুক্রিপ্টকে একটি পোর্টেবল অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ফলে অন্য কোন কম্পিউটার থেকে ফ্ল্যাশ ড্রাইভে এনক্রিপ্টেড অবস্থায় থাকা তথ্যের প্রবেশাধিকার পেতে নতুন করে সেখানে ট্রুক্রিপ্ট ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই।
  • উইন্ডোজের সমগ্র সিস্টেম ড্রাইভকে এনক্রিপ্ট করার সুযোগ দেয়। ফলে কেউ কম্পিউটার চালু করার সময় অথবা হাইবারনেট কিংবা স্লিপ মোড থেকে কম্পিউটার চালু করার সময় পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন পড়বে। ফলে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশকারীর হাত থেকে আপনার পিসিকে রাখতে পারবেন সুরক্ষিত (যদি না সেই অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশকারী 'ফ্রীজ অ্যাটাক' ব্যবহার করেন। তবে এ ধরণের ঘটনা বাস্তবিক ক্ষেত্রে খুবই বিরল)।
3-13-2012-2-50-18-PM.jpg

উইন্ডোজের বিল্টইন এনক্রিপশন সুবিধা ব্যবহার করে

আপনি যদি উইন্ডোজের প্রফেশনাল অথবা এন্টারপ্রাইজ ভার্সন ব্যবহার করেন তবে এতে কিছু বিশেষ এনক্রিপ্সন সুবিধা বিল্টইন অবস্থায় পাবেন। তবে উইন্ডোজের হোম ভার্সন এবং স্ট্যান্ডার্ড এডিশনের উইন্ডোজ ৮ –এ এই বিশেষ সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে না। প্রফেশনাল এডিশনের উইন্ডোজে যে সকল বিল্টইন এনক্রিপশন সুবিধা পাবেন সেগুলো হচ্ছে-
  • বিটলকারঃ যা আপনাকে ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ সহ হার্ড ড্রাইভে এনক্রিপটেড ভলিউম তৈরির সুবিধা দেবে। এটি অনেকটা ট্রুক্রিপ্টের মত কাজ করে।
  • এনক্রিপ্টিং ফাইল সিস্টেম বা ইএফএস (EFS): এটি আপনাকে নির্দিষ্ট এক বা একাধিক ফাইল এনক্রিপ্ট করার সুবিধা দেবে। এর জন্যে আপনাকে ফাইল বা ফোল্ডারের ওপর ডান-ক্লিক করে প্রপার্টিজে গিয়ে এডভান্স মেন্যু নির্বাচন করতে হবে। যদি আপনি সঠিক সংস্করণের উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন তবে সেখানে ফাইল অথবা ফোল্ডার এনক্রিপ্ট করার সুযোগ পাবেন। নয়তো সেগুলো ধূসর বর্ণের হয়ে থাকবে অর্থাৎ এই সুবিধা পাবেন না। এক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে জে, এই ব্যবস্থায় ফাইল এনক্রিপ্ট করলে তাতে প্রবেশাধিকার পেতে হলে আপনার উইন্ডোজ পাসওয়ার্ড লাগবে। তাই আপনি যদি সেটি ভুলে যান তবে ফাইলগুলোতে বা ফোল্ডারগুলোতে আপনি নিজেই আর প্রবেশ করতে পারবেন না। আর একটি ব্যাপার হচ্ছে এই এনক্রিপশন ব্যবস্থা কেবলমাত্র আপনার হার্ড ড্রাইভে থাকা তথ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনি যদি সেই ফাইল অথবা ফোল্ডারগুলোকে নিরাপদে ইমেইলে প্রেরণ করতে চান কিংবা ফ্ল্যাশ ড্রাইভে করে বহন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অন্য কোন এনক্রিপশন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
bitlocker-on-windows-8.png
Read more ...
Julianna | 10:51 PM | Be the first to comment!
আপনি কি জানেন আপনি ইচ্ছে করলেই গুগল ড্রাইভে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারেন। ওয়েবসাইটগুলো অবশ্য ডাইনামিক হবে না বা ওয়েবসাইটে আপনি সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ব্যবহার করতে পারবেন না। তারপরো ব্যক্তিগত স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট আপনি সহজেই হোস্ট করে ফেলতে পারবেন। আর যেহেতু জাভাস্ক্রিপ্ট সমর্থন করে তাই সেটা দিয়ে এইচটিএমএল৫ এবং জাভাস্ক্রিপ্ট ভিত্তিক গেমসও হোস্ট করে ফেলতে পারবেন। যাই হোক, এবার চলুন দেখি কিভাবে গুগল ড্রাইভে আপনি ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন।
১. প্রথমে পিসিতে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পেজ ও তার সমস্ত কন্টেন্ট রাখবেন।
২. এখন ওই ফোল্ডারে ওয়েব পেজ তৈরি করে ফেলুন।
a
৩. এখন গুগল ড্রাইভে জিমেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করে আপনার ফোল্ডারটি আপলোড করে পাবলিক শেয়ার চালু করে দিন।
a
পাবলিক শেয়ার চালু করার জন্য আপলোড করার পর ফোল্ডারের উপর রাইট বাটন ক্লিক করে শেয়ার ক্লিক করার পর নিচের স্টেপ অনুসরণ করুন।
a
a
a
৪. আপনার ওয়েবসাইটের হোমপেজ গুগল ড্রাইভ ভিউয়ার দিয়ে ওপেন করুন।
a
এখানে আপনি ওয়েবপেজের এইচটিএমএল দেখতে পাবেন। হতাশ হবেন না, উপরে প্রিভিউ বাটন ক্লিক করলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।
a
ব্যস! হয়ে গেল। আপনার ওয়েবসাইটটি https://googledrive.com/host/ এই ডোমেইনের অধীনে হোস্ট করা থাকবে। উপরের ওয়েব অ্যাড্রেস বার দেখে নিশ্চয়ই তা বুঝতে পারছেন। যেহেতু ওয়েব ঠিকানাটি অনেক বড় তাই যেকোন ইউআরএল শর্টনার সার্ভিস ব্যবহার করে তা ছোট করে নিলে ভাল হবে।
a
এখন অবশ্যই এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। একটা একদম প্রথমেই বলেছি যে আপনি ওয়েবসাইটে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং যেমন- পিএইচপি বা এএসপি ব্যবহার করতে পারবেন না। ডাটাবেজ সুবিধাও নেই। তাছাড়া নিজস্ব ডোমেইনও ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে ব্যক্তিগত বা ছোটখাট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট আপনি হোস্ট করতেই পারেন।
খালি গুগল ড্রাইভই না আপনি ড্রপবক্স দিয়েও একই উপায়ে ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন
Read more ...

ওয়ার্ড ডকুমেন্টকেই ইমেইল বডি হিসেবে সেন্ড করুন

Julianna | 10:51 PM | Be the first to comment!
অনেক সময়েই আমাদের ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে ইমেইল করতে হয়। আমরা সেক্ষেত্রে ডকুমেন্ট ফাইলটি মূলত অ্যাটাচ করেই ইমেইল সেন্ড করি। কিন্তু যদি ওই ডকুমেন্টকে ইমেইল বডি হিসেবে বা ওই ডকুমেন্টটি অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে না পাঠিয়ে যদি সরাসরি ইমেইল করতে চাই তাহলে কি করতে হবে? চলুন আজকে অফিস ২০১৩ তে এই কাজ কিভাবে করবেন সেটিই আমরা দেখব।
১ম স্টেপঃ
আপনাকে প্রথমে মাইক্রোসফট আউটলুকে আপনি যে ইমেইল অ্যাড্রেস থেকে মেইল পাঠাতে চান তা যুক্ত করতে হবে। এরজন্য প্রথমে আউটলুক ২০১৩ চালু করে
File>>Add Account
এখানে নেভিগেট করে আপনার নাম,ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সেভ করে আউটলুক কনফিগার করে বের হয়ে আসুন।
a
২য় স্টেপঃ
কোন ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে মেইল বডি হিসেবে পাঠানোর জন্য প্রথমে কুইক অ্যাকসেস টুলবারে ইমেইল সেন্ড করার অপশন অ্যাড করতে হবে। এরজন্য নিচের পাথ অনুযায়ী নেভিগেট করুন অথবা স্ক্রিনশট অনুসরণ করুন।
File>>Options>>Quick Access Toolbar>>Select “Commands not in the ribbon”>>Select “Send to Mail Recipient”>>Add>>Ok
1.
a
2.
a
3.
a
4.
a
5.
a
6.
a
এরপর আপনি ওয়ার্ড ২০১৩ এর কুইক অ্যাকসেস টুলবারে নতুন মেইল সেন্ড করার অপশন দেখতে পাবেন।
a
৩য় স্টেপঃ
এখন আপনি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট এডিট করার পর সেটা মেইল হিসেবে পাঠাতে চাইলে কুইক অ্যাকসেস টুলবারের “Send to Mail Receipient” অপশনে ক্লিক করুন।
a
এরপর নিচের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন।
a
এখন To তে যাকে পাঠাতে চান তার ইমেইল অ্যাড্রেস,সাবজেক্টে ইমেইল সাবজেক্ট লিখে Send a Copy তে ক্লিক করলেই আমরা ডকুমেন্টটি ইমেইল আকারে সেন্ড হয়ে যাবে।
a
এখন আপনি যদি কোন ইমেইল অ্যাড্রেস থেকে ইমেইল পাঠানো হয়েছে তা ইমেইলে দেখাতে চান তাহলে Options এ গিয়ে From এনাবল করে ওই ফিল্ডে আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস সিলেক্ট করে দিন।
আপনার ইমেইল ও অ্যাটাচমেন্ট এনক্রিপ্ট করে পাঠাতে চাইলে।
Options>>Options>>Security Settings>>Enable Encrypt message
a
Read more ...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Powered by Blogger.